Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬
Bangladesh

মায়ের তিনটে বিয়ে, বাংলাদেশে জন্মদাত্রীকে ‘খুন’ স্নেহবঞ্চিত ছেলের, শিয়ালে খুবলে খেল দেহ!

কলাবাগানে ওই মহিলার পচাগলা দেহ উদ্ধার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।

Advertisement
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ১৭:৩১

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ১৭:৩১

options
link
মায়ের তিনটে বিয়ে, বাংলাদেশে জন্মদাত্রীকে ‘খুন’ স্নেহবঞ্চিত ছেলের, শিয়ালে খুবলে খেল দেহ! zoom
প্রতীকী ছবি।

মায়ের একাধিক বিয়ে। সেই কারণেই ‘স্নেহবঞ্চিত’ ছেলের বিরুদ্ধে জন্মদাত্রীর খুনের অভিযোগ উঠল। বাংলাদেশের পদ্মা-মেঘনাপাড়ের জেলা চাঁদপুরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এমনই এক ঘটনায়। কলাবাগান থেকে উদ্ধার হয়েছে ওই মহিলার পচাগলা দেহ। পুলিশ ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে।

জানা গিয়েছে, গতকাল বৃহস্পতিবার ছেংগারচর পৌর এলাকার মুল্লুক মাঝির কান্দি গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত মহম্মদ জনিকে। এর আগে নির্জন কলাবাগান থেকে উদ্ধার হয়েছিল এক নারীর পচাগলা দেহ। বয়স আনুমানিক ৫০ বছর। দেখা যায় দেহটির মাথার খুলি থেকে চুল খসে গিয়েছিল। বাম হাত ও হাঁটুর নিচ থেকে বাম পায়ের অংশ শিয়াল খেয়ে ফেলেছে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনাস্থল বিশ্লেষণ, স্থানীয় সূত্র এবং বিভিন্ন তথ্য যাচাই করে তদন্তে এগতে থাকে পুলিশ। এরপরই পুলিশের সন্দেহ গাঢ় হয় বছর তিরিশের মহম্মদ জনির প্রতি। গ্রেপ্তার করার পর তাঁকে জেরা করলে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুলিশের দাবি, জনি জানিয়েছেন, মায়ের একাধিক বিয়ের কারণে দীর্ঘদিন ধরে তাঁর প্রতি ক্ষোভ ছিল ছেলের। শেষমেশ স্নেহবঞ্চিত হওয়ার ক্ষোভ থেকেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটান তিনি। জানা গিয়েছে, তাঁর মা মজিদা বেগমের তিনটি বিয়ে। জনি প্রথমপক্ষের সন্তান। তিনি বড় হয়েছেন মামাবাড়িতে। এখন ঢাকায় ফলের ব্যবসা করেন। মা তাঁকে স্নেহ থেকে বঞ্চিত করেছিলেন এই অভিমান থেকেই শেষপর্যন্ত তাঁকে খুনের সিদ্ধান্ত নেন জনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.