সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নারী জাগরণ ও নারী অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনকে ‘মুরতাদ কাফির’ বলে কটাক্ষ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক খন্দকার মহম্মদ মাহমুদুল হাসান তাঁকে এই কটাক্ষ করেন। মঙ্গলবার সকালে তাঁর ফেসবুক পোস্টটি ভাইরাল হতেই উঠেছে সমালোচনার ঝড়। গর্জে উঠেছেন তসলিমাও (Taslima Nasreen)।
দীর্ঘ পোস্টের প্রতিটি শব্দবন্ধে যেন লুকিয়ে রয়েছে শ্লেষ। তসলিমা লেখেন, “বাহ, এতদিনে মোল্লা জাতের টনক নড়েছে। রোকেয়াও তসলিমার মতো মুরতাদ এবং কাফের! আমি অনেক আগেই বলেছিলাম, আজকের জিহাদিরা বেগম রোকেয়ার জমানায় যদি থাকতো, তাঁকে জ্যান্ত পুঁতে ফেলত। জিহাদিরা এখন সমস্বরে বলছে, রোকেয়া ছিল সেযুগের তসলিমা! রোকেয়া ছিল দেশের প্রথম তসলিমা! এক বিন্দু মিথ্যে নয় কথাটা। তবে এই সত্যটা আবিষ্কার করতে তাদের দীর্ঘ সময় লেগেছে। অথবা সত্যটা তারা জানতোই, তবে রোকেয়াকে বাতিল করার মোক্ষম সময় তারা মনে করেছে জিহাদি জঙ্গি সমর্থিত সরকারের আমলই।”
একদিন না একদিন তসলিমার মতো রোকেয়াকেও যে ‘ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া হবে’ তা তাঁর জানা ছিল বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন। তসলিমার কথায়, “তসলিমা এ যুগের একজন আলোকিত নারীবাদী, রোকেয়ার যুগে রোকেয়া ছিলেন একজন আলোকিত নারীবাদী। তসলিমা পুরুষতন্ত্র এবং ধর্মের বিরদ্ধে লড়াই করেছে, রোকেয়াও তাই করেছেন। নারীবিদ্বেষী ধর্মব্যবসায়ীরা তসলিমাকে যেমন ছুড়ে ফেলেছে, রোকেয়াকেও একদিন ছুড়ে ফেলবে, এ আমি জানতাম।” পোস্ট শেষে তসলিমার একটাই প্রশ্ন, “রোকেয়ার মুসলমান ভক্তরা মুছতে চেষ্টা করবেন নাকি বলবেন হ্যাঁ রোকেয়া মুরতাদ, এই মুরতাদ রোকেয়াকেই আমরা সম্মান করব?”
সর্বশেষ খবর
-
পুরদলেও ফাটল, আইনি জটের আশঙ্কা, মমতার পছন্দে মেয়র বাছতে ‘সই’ দিলেন না অধিকাংশ কাউন্সিলর!
-
ছবির দেশ, কবিতার দেশে রূপকথা! ফরাসি ওপেনে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের স্বাদ জাভেরেভের
-
পাহাড় থেকে সমতল, ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা! আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বাসিন্দারা
-
‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের
-
শ্বাস যন্ত্রে কিছুতেই ফুঁ দিতে পারছেন না মদ্যপ! চড় কষালেন পুলিশকর্মী, ভিডিও ঘিরে বিতর্ক