তারেক রহমানের জমাতেও বাংলাদেশে অব্যাহত হিন্দু নিধন। রংপুরে বন্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল একই পরিবারের চার সদস্যের দেহ। গোটা ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে হুলস্থুল পড়ে গিয়েছে।সূত্রের খবর, গলায় দড়ি পেঁচিয়ে দম্পতি এবং তাঁদের দুই সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শনিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ দাসপাড়া এলাকার একটি বাড়ি থেকে দেহগুলি উদ্ধার হয়। মৃতেরা হলেন অবসরপ্রাপ্ত স্কুল শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, কন্যা আগামী চক্রবর্তী এবং পুত্র প্রিয়ম চক্রবর্তী। জানা গিয়েছে, অবসর নেওয়ার পর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করতেন গণপতি। প্রিয়ম পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছিল। অন্যদিকে, আগামী স্নাতকোত্তর পড়ছিলেন। এদিন রাতে দরজা ভেঙে বাড়িতে প্রবেশ করেন পুলিশ আধিকারিকরা। দেখেন, ঘর লন্ডভন্ড। মাটিতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে জিনিসপত্র। গণপতির দেহ উদ্ধার হয় ছাদ থেকে। অন্যদিকে, প্রিয়মের নিথর দেহ পড়েছিল ঘরের খাটের নিচে। দু’জনেরই গলায় দড়ি পেঁচানো ছিল বলে খবর। প্রীতিলতা এবং আগামীর দেহ উদ্ধার হয় ছাদে ওঠার সিঁড়িতে। পুলিশের একটি সূত্রের খবর, তাঁদের শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, পরিবারের চারজনকেই খুন করা হয়েছে। তবে সবদিক পুঙ্খানুপুঙ্খ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা।
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রীতিলতার ছোট বোন পূজা চক্রবর্তী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রীতিলতার সঙ্গে তাঁর শেষবার কথা হয়েছিল। তারপর থেকে তাঁর ফোন বন্ধ ছিল। উদ্বিগ্ন হয়ে শনিবার রাতে তিনি তাঁর দিদির বাড়িতে উপস্থিত হন। দেখেন, বাড়ির সদর দরজায় তালা ঝোলানো। বাড়ির ভিতর অন্ধকার। জানলার কাচ ভাঙতেই দেখেন, ঘরের ভিতরে সব তছনছ হয়ে পড়ে রয়েছে। এরপরই সন্দেহ হয় তাঁর। তড়িঘড়ি পুলিশে খবর দেন তিনি।
সর্বশেষ খবর
-
দাম্পত্য সমস্যা-অমঙ্গল দূর করার টোপ, মহিলার লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে পগারপার ‘তান্ত্রিক’
-
সমাজমাধ্যমে পরিচয়, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ২ নাবালিকার যৌন হেনস্তা! ধৃত অভিযুক্তরা
-
ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন, সুপ্রিম কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল
-
স্কুলের ২২ লক্ষ টাকা তছরুপ! বাগদায় তৃণমূল প্রধানকে ‘ডিম থেরাপি’, ছেঁড়া হল জামা
-
নন্দীগ্রাম আসন ছাড়তে চেয়ে বেনুগোপালকে ফোন মমতার, জোটে নারাজ কংগ্রেস