Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Tarique Rahman

ব্রিকসে তারেককে আমন্ত্রণ মোদির, ‘চৈনিক চিন্তা’ উড়িয়ে কাটবে কি সম্পর্কের শৈত্য?

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অষ্টাদশ ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৬, ২০:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৩, ২০২৬, ২০:২০

options
link
ব্রিকসে তারেককে আমন্ত্রণ মোদির, ‘চৈনিক চিন্তা’ উড়িয়ে কাটবে কি সম্পর্কের শৈত্য? zoom
ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে।
Advertisement

আগামী সেপ্টেম্বরে ব্রিকসের ১৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে নয়াদিল্লিতে। সেখানে যোগদানের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে মোদি সরকার। এদিন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ একথা জানিয়েছেন।

আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর নয়া দিল্লিতে অষ্টাদশ ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন হবে। ১১ সদস্য দেশের এই সম্মেলনে বাইরের বিভিন্ন দেশকে বিশেষ অতিথি হিসাবে আমন্ত্রণ জানাতে পারে আয়োজক দেশ। এবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরের সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামকে প্রশ্ন করেছিলেন সাংবাদিকরা। জবাবে তিনি বলেন, ”আমন্ত্রণ বিদেশ মন্ত্রকে এসেছে, আমরা সেটা প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠিয়েছি। ব্রিকসের সদস্য রাষ্ট্র না হলেও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।”

Advertisement

উল্লেখ্য, শপথগ্রহণের পরে তিনদিনের চিন সফরে গিয়েছিলেন তারেক রহমান। যদি তিনি ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেন, তাহলে সেটাই হবে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম ভারত সফর। যা কূটনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

বলে রাখা ভালো, একদিনে তারেকের চিন সফর, অন্যদিকে নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের ‘প্রেস মিনিস্টার’ হিসেবে ‘ভারত বিরোধী’ হিসাবে পরিচিত মহম্মদ সাইদুর রহমানের নিয়োগ- দুই দিক থেকেই ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কে একটা শৈত্যের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলম সম্প্রতি দাবি করেছেন, ”চিনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। তাদের মতো একটি অর্থনৈতিক ও বৈশ্বিক শক্তিকে পাশে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।” এমন মন্তব্যের পর গোটা পরিস্থিতির দিকেই নজর রেখেছে ভারত। এমতাবস্থায় যদি তারেক ভারতে আসেন, তাহলে সম্পর্কের শৈত্য কাটতেও পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.