Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৮ জুন ২০২৬
Dhaka

ইদের ঢাকায় কুরবানির সময় জখম শতাধিক, ফরিদপুরে মাংসের ভাগ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০

আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, পঙ্গু হাসপাতাল-সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

Advertisement
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ২১:১২

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২৬, ২১:১২

options
link
ইদের ঢাকায় কুরবানির সময় জখম শতাধিক, ফরিদপুরে মাংসের ভাগ নিয়ে সংঘর্ষে আহত ২০ zoom
ইদের দিনে বিপুল সংখ্যক মানুষের আহত হওয়ায় হাসপাতালে চাপ তৈরি হয়।

প্রতিবছর এই কাণ্ড ঘটে। বিশেষত বকরি ইদের সময়। হতাহতের খবর আসে। তারপরও বিষয়টি নিয়ে কারও হেলদোল নেই। বৃহস্পতিবারও বকরি ইদের দিন কুরবানির পশু জবাই করতে গিয়ে জখম হলেন শতাধিক। তাঁদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ, পঙ্গু হাসপাতাল-সহ বিভিন্ন চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে পদ্মাপাড়ের জেলা ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ভাগে কেনা গরু কুরবানির মাংস মসজিদ এলাকায় বসে ভাগ করা হবে, নাকি বাড়িতে বসে ভাগ করা হবে, এই নিয়ে সংঘর্ষে ২০ জন জখম হয়েছেন।

ঢাকার কুরবানির গরুর লাথি, শিংয়ের গুঁতা খেয়ে এবং মাংস কাটাকাটির সময় জখম হয়েছেন অনেকে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে ৮০ জন জখম ব্যক্তি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আহতদের মধ্যে অনেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। গুরুতর আহত ২০ জনকে পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ইদের আনন্দের দিনে এমন বিপুল সংখ্যক মানুষের আহত হওয়ার ঘটনায় হাসপাতাল এলাকায় চাপ তৈরি হয়। আহত ব্যক্তিরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসেন। এর মধ্যে রয়েছে পুরান ঢাকার নারিন্দা, ওয়ারি, লালবাগ, কোতোয়ালি, সূত্রাপুর, চকবাজার, হাজারিবাগ, বংশাল, সবুজবাগ, উত্তরা, বাড্ডা, ধানমণ্ডি, কলাবাগান, মিরপুর ও পল্লবী-সহ বিভিন্ন এলাকা।

ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. কলিন্স মল্লিক জানান, অনেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। তবে গুরুতর আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, অধিকাংশই কুরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটাকাটির সময় বিভিন্ন ধরনের অসাবধানতার কারণে আঘাত পেয়েছেন। কেউ গরুর লাথি ও শিংয়ের আঘাতে আহত হয়েছেন, আবার কেউ মাংস কাটতে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত পেয়েছেন। এসব দুর্ঘটনায় হাত-পা কেটে যাওয়া, কাটা-ছেঁড়া এবং অন্যান্য আঘাতজনিত সমস্যা দেখা দেয়।

প্রতিবছর ইদুল আজহায় কুরবানির সময় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটলেও এবারের ঘটনায় আহতের সংখ্যা বেশি, জানয়েছেন চিকিৎসা কর্মীরা। ইদের দিনে কোরবানির আনন্দের পাশাপাশি এই ধরনের দুর্ঘটনা নগরবাসীর জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞরা সাধারণত কুরবানির সময় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন, যাতে ধারালো অস্ত্র ব্যবহারে সাবধানতা, পশুর আচরণ সম্পর্কে সচেতনতা এবং নিরাপদ পরিবেশে জবাই কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.