Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Muhammd Yunus

নেপালেও ইউনুসের মুখে ‘সেভেন সিস্টার্স’, চাপের মুখে ‘সাফাই’ চট্টগ্রামের সভায়

চিন সফরেও ভারতের উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্যের প্রসঙ্গ টানেন ইউনুস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৫, ১১:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৫, ১১:১১

options
link
নেপালেও ইউনুসের মুখে ‘সেভেন সিস্টার্স’, চাপের মুখে ‘সাফাই’ চট্টগ্রামের সভায় zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কিছু দিন আগেই চিন সফরে গিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনুস ভারতের উত্তর-পূর্বের সাত রাজ্যের প্রসঙ্গ তুললে প্রবল কূটনৈতিক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল। সেবার তাঁর কথায় এসেছিল সমুদ্র এলাকার ‘অভিভাবক’ প্রসঙ্গও। এবার নেপাল-বাংলাদেশ বৈঠকে ফের ইউনুসের মুখে ‘সেভেন সিস্টার্স’ প্রসঙ্গ উঠে এল। এই নিয়ে চর্চা শুরু হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা। চট্টগ্রামের সভায় গিয়ে তিনি এই বিষয়ে বার্তা দিয়েছেন।

সম্প্রতি নেপালের ‘হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস’ র ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেন ইউনুস। সেখান তিনি একটি ‘সমন্বিত অর্থনৈতিক স্ট্র্যাটেজি’র কথা তোলেন। ইউনুসের দুপ্তরের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে লেখা হয়, বৈঠকে তিনি বলেছেন, “বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান এবং সেভেন সিস্টার্সের জন্য একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা থাকা উচিত।’’ পোস্টের পরের লাইনে লেখা রয়েছে, “সেভেন সিস্টার্স বলতে তিনি ভারতের উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলির কথা বলেছেন।”

Advertisement

এরপর চট্টগ্রামের সভায় বন্দরে নিয়ে বেশ কিছু বক্তব্য রাখেন ইউনুস। সেই বক্তব্যের মাঝেই ইউনুসের ভাষণে ফের একবার আসে সেভেন সিস্টার্স প্রসঙ্গ। তিনি জানান, কেন নেপালের সঙ্গে বৈঠকে তিনি ভারতের উত্তরপূর্বের সাত রাজ্যের কথা বলেছিলেন। চট্টোগ্রাম বন্দরকে বাংলাদেশের হার্টের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, “এই হার্টকে প্রতিবেশীদের সঙ্গে সংযুক্ত করতে হবে, সেইজন্যই আমি নেপাল, সেভেন সিস্টার্স সম্পর্কে বলেছি।” তাৎপর্যপূর্ণভাবে এরইসঙ্গে তিনি বলেন, “যদি তারা এর সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, তাহলে তারা উপকৃত হবে এবং আমরাও উপকৃত হব। যারা সংযুক্ত থাকবে না তাদের খারাপ হবে।’

এদিকে, পাকিস্তানের পর এ বার বাংলাদেশকেও ঋণ দিচ্ছে আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার (আইএমএফ)। আগামী মাসেই আইএমএফ থেকে চতুর্থ এবং পঞ্চম কিস্তির টাকা বাংলাদেশ পেয়ে যাবে বলে আশা করছে সে দেশের অর্থমন্ত্রক। বুধবার দুপুরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে এ কথা জানিয়েছে সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকার। আগেই বাংলাদেশের জন্য আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ মঞ্জুর হয়ে রয়েছে। বুধবার নেপালের ‘হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস’-এর ডেপুটি স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেন মহম্মদ ইউনুস। সেখানে তিনি একটি ‘সমন্বিত অর্থনৈতিক স্ট্র্যাটেজি’র কথা তোলেন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.