Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৬ জুন ২০২৬
Bangladesh

জলসীমা লঙ্ঘন রুখতে উদ্যোগ, সাগরে মাছ ধরায় একসঙ্গে নিষেধাজ্ঞা জারি ভারত-বাংলাদেশে

প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছ ধরা বন্ধ থাকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৫, ২০:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৫, ২০:১২

options
link
জলসীমা লঙ্ঘন রুখতে উদ্যোগ, সাগরে মাছ ধরায় একসঙ্গে নিষেধাজ্ঞা জারি ভারত-বাংলাদেশে zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গত বছর আন্তর্জাতিক জলসীমা লঙ্ঘন করে ইলিশ শিকারের অভিযোগে ভারতের বহু মৎস্যজীবীকে আটক করেছিল বাংলাদেশ নৌবাহিনী। সংখ্যাটা প্রায় পঞ্চাশের উপর হবে। যা নিয়ে দুদেশের মধ্যে যথেষ্ট টানাপড়েন চলে। তাই এবার জলসীমা লঙ্ঘন রুখতে নেওয়া হয়েছে উদ্যোগ। ভারতের সঙ্গে মিল রেখে সাগরে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময় ঠিক করেছে বাংলাদেশ সরকার। অর্থাৎ মাছ শিকার অর্থবহ করে তুলতে একইসঙ্গে দুদেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সোমবার অন্তর্বর্তী সরকারের মৎস্য উপদেষ্টা ফরিদা আখতার সংবাদ সম্মেলনে জানান, প্রজনন মৌসুমে ১৫ এপ্রিল থেকে ১১ জুন পর্যন্ত ৫৮ দিন সব ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকবে।

সাধারণত প্রতিবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছ ধরা বন্ধ থাকে। তবে ভারতে প্রতিবছর মাছ ধরা বন্ধ থাকে ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত ৬১ দিন। আর মায়ানমারে নিষেধাজ্ঞার এই সময় ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত মোট ৯১ দিন। বাংলাদেশের মৎস্যজীবীরা যখন সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ রাখেন, তখন প্রতিবেশী দেশের মৎস্যজীবীরা বাংলাদেশের জলসীমায় ঢুকে মাছ ধরেন বলে অভিযোগ। এই কারণে মৎস্যজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞার সময় সমন্বয়ের দাবি করে আসছিলেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফরিদা আখতার বলেন, “সামুদ্রিক জলসীমায় ইলিশ ও অন্যান্য মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মৎস্য আহরণের উপর প্রতি বছর ২০ মে হতে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন নিষেধাজ্ঞা থাকে। কিন্তু এই সময়কাল পার্শ্ববর্তী দেশের সাথে সমন্বয় না থাকায় বাংলাদেশের মাছ আহরণে পার্শ্ববর্তী দেশের মৎস্যজীবীরা সুযোগ নিচ্ছে। তাই মৎস্য আহরণকারী সংগঠন এবং মৎস্যজীবীগণ বিভিন্ন সময়ে ব্যান পিরিয়ড সমন্বয় করার দাবি জানিয়ে আসছেন। সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদের স্থায়িত্বশীল আহরণ ও স্টেকহোল্ডারদের স্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বঙ্গোপসাগরে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অধিকাংশ মাছের প্রজনন মৌসুম এপ্রিল থেকে জুন মাস হওয়ায় ১৫ এপ্রিল হতে ১১ জুন পর্যন্ত মোট ৫৮ দিন বঙ্গোপসাগরে সকল ধরনের মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এখন থেকে সামুদ্রিক জলসীমায় ইলিশ ও অন্যান্য মাছের আহরণের নিষিদ্ধ কাল হচ্ছে ৫৮ দিন।” অন্যদিকে এবার ইলিশের স্বাদ পাবেন সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.