Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
Bangladesh

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বিএনপির মতোই গুরুত্বপূর্ণ জামাত! আমিরের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের বিদেশ সচিব

ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে আস্থা ব্যক্ত করলেন বিক্রম মিসরি ও ডা. শফিকুর রহমান। ওয়াকিবহাল মহলের মতে এই বৈঠক উপমহাদেশের কূটনীতিতে বড় বাঁকবদল।

Advertisement
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৯:৪১

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১৯:৪১

options
link
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বিএনপির মতোই গুরুত্বপূর্ণ জামাত! আমিরের সঙ্গে বৈঠকে ভারতের বিদেশ সচিব zoom
ডা. শফিকুর রহমান (বাঁ দিকে) ও বিক্রম মিসরি। নিজস্ব চিত্র।

তারেক রহমানের শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে ঢাকায় যান লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা এবং বিদেশ সচিব বিক্রম মিসরি। সৌজন্য সফরে বাংলাদেশের (Bangladesh) বিরোধী দলনেতা নেতা ও বাংলাদেশ জামাতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করলেন মিসরি। বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হওয়ায় শফিকুর রহমানকে অভিনন্দন জানান তিনি। দু’জনেই ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়ে আস্থা ব্যক্ত করেছেন। মোদির ‘দূত’ বিক্রম মিসরির সঙ্গে জামাতের আমিরের সাক্ষাৎ উভয় দেশের কূটনীতির জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন জানিয়েছে, বিদেশ সচিব দুই দেশের সম্পর্কের কথা স্মরণ করে ডা. শফিকুর রহমানকে তাঁর নতুন ভূমিকার জন্য শুভেচ্ছা জানান। বাংলাদেশের প্রতি ভারতের দীর্ঘস্থায়ী সমর্থন ব্যক্ত করেন মিসরি। পালটা শফিকুর রহমানও দুই দেশের সভ্যতাগত বন্ধনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। আরও শক্তিশালী দ্বিপক্ষিক সম্পর্কের বিষয়েও আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জামাতের আমিরের সঙ্গে ভারতের বিদেশ সচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ মোদি সরকারের কূটনীতির অংশ।

জামাতের সোশাল মিডিয়া পোস্টেও ভারতের বিদেশ সচিবের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, শফিকুর রহমান বিরোধী দলীয় নেতা নির্বাচিত হওয়ায় ভারত সরকারের তরফে আন্তরিক অভিনন্দন জানান বিক্রম মিসরি। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণে তাঁর নেতৃত্বে জামাত ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করবে। কেমন হবে কট্টরপন্থী জামাতের সেই ভূমিকা? সেটাই লাখ টাকার প্রশ্ন।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ২৯৯টি আসনের মধ্যে ২১২টিতে জয়ী হয়েছে বিএনপি। স্বভাবতই সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসাবে তারাই সরকার গড়েছে। কম তাৎপর্যপূর্ণ নয় বালাদেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় প্রধান বিরোধী দল হিসাবে জামাতের উত্থান। তারা দীর্ঘদিন বাংলাদেশে কট্টরপন্থার রাজনীতি করলেও ভোটের ময়দানে তেমন সুবিধা করতে পারছিল না। যদিও এবারের ভোটে একক ভাবে ৬৮টি এবং ‘জামাত জোট’ ৭৭টি আসন দখল করছে। শতাংশের হিসাবে ৩৮.৫০ শতাংশ ভোট পেয়েছে তারা।

এই অবস্থায় জামাতের আমিরের সঙ্গে ভারতের বিদেশ সচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎ মোদি সরকারের কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মাথায় রাখতে হবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ভোটে জিতেছেন জামাতের প্রার্থীরা। ফলে বাংলাদেশের শাসক দল বিএনপির পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দল জামাতের সঙ্গে সুসম্পর্কও জরুরি বলে মনে করছে দিল্লি। উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে ভারতবিরোধী বলেই পরিচিত জামাত শিবির। তাদের নেতার সঙ্গে ভারতের বিদেশ সচিবের বৈঠক, একে অপরের প্রতি আস্থা ব্যক্ত করা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা বলা বাহুল্য। ভারত যে স্থবির কূটনীতিতে বিশ্বাস করে না এটা তার প্রমাণ। রাষ্ট্রতন্ত্রে পুরনো শত্রু কালের নিয়মে হতেই পারে নিকট বন্ধু! 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.