Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

৮১ ফুটের রামমূর্তি নির্মাণে উদ্যোগী হন, বাংলাদেশে ‘মিথ্যা মামলা’য় গ্রেপ্তার সেই হরিদাস

অর্থ তছরুপের অভিযোগ এনে রবিবার শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ২১:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ২১:১৩

options
link
৮১ ফুটের রামমূর্তি নির্মাণে উদ্যোগী হন, বাংলাদেশে ‘মিথ্যা মামলা’য় গ্রেপ্তার সেই হরিদাস zoom
অর্থ তছরুপের অভিযোগ রবিবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে হরিদাস তরণী চন্দ্র দাসকে।
Advertisement

গাইবান্ধায় ৮১ ফুট উঁচু রামমূর্তি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি, বাংলাদেশে (Bangladesh) গ্রেপ্তার সেই শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস। অর্থ তছরুপের অভিযোগ এনে রবিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও পদ্মপাড়ের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দাবি, রামমূর্তি নির্মাণের চেষ্টাই কাল হয়েছে। মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে হরিদাসকে। 

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলায় শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও কালী মন্দির প্রাঙ্গনে বিশ্বের বৃহত্তম ৮২ ফুটের রামমূর্তি নির্মাণে উদ্যোগী হয়েছিলেন হরিদাস। যদিও ওই কাজ শুরুর পর থেকেই ইসলামপন্থী মৌলবাদী গোষ্ঠীগুলি নানাভাবে বাধা দিচ্ছিল। মন্দিরের অর্থায়ন নিয়ে তদন্তের দাবিও তোলা হয়। শেষ পর্যন্ত তীব্র বিরোধিতা ও চাপের মুখে মন্দির কমিটি মূর্তি নির্মাণ স্থগিত করতে বাধ্য হয়। এবার ৯ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকার বেশি অর্থ তছরুপের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে হরিদাসের বিরুদ্ধে। রবিবার রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ পলাশবাড়ি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে।

Advertisement

পলাশবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মহম্মদ সরোয়ার আলম খান জানান, রোববার মধ্যরাতের কিছুক্ষণ পরে মন্দির থেকে হরিদাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাঁকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় বাংলাদেশের মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধনী-২০১৫) এর ৪(২) ধারায় হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস-সহ অজ্ঞাতপরিচয় জনৈক আরও ২-৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে বলা হয়েছে, পাঁচটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং চারটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস)-এর অ্যাকাউন্টের সব তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মোট ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৩২ হাজার ৪৫১ টাকা জমা এবং ৯ কোটি ৩৫ লাখ ৬৫ হাজার ৫২৮ তুলে নেওয়ার তথ্য সামনে এসেছে। সিআইডির দাবি, অভিযুক্ত ও তাঁর সহযোগীরা হাওয়ালার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার করে অসাধু উপায়ে টাকা রোজগার করেছেন। সেই টাকায় নামে-বেনামে স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ গড়ে তুলেছেন। যদিও শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে আনা এইসব অভিযোগ মানতে নারাজ পদ্মাপাড়ের সংখ্যালঘুরা। তাদের দাবি, রামমূর্তির নির্মাণের কারণেই ব্যবস্থা নেওয়া হল হরিদাসের বিরুদ্ধে।  

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.