Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Sheikh Hasina

মানুষ হাসিনার ফাঁসি চায়, বলছেন তারেকের উপদেষ্টা! বিচার নামে প্রহসনই হবে বাংলাদেশে?

২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন শেখ হাসিনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৫:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২৬, ১৫:৩০

options
link
মানুষ হাসিনার ফাঁসি চায়, বলছেন তারেকের উপদেষ্টা! বিচার নামে প্রহসনই হবে বাংলাদেশে? zoom
ফাইল চিত্র।
Advertisement

ফাঁসির সাজা মাথায় নিয়েই স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করতে চান শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তবে সেই সঙ্গেই তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, হাসিনার ফাঁসি চায় বাংলাদেশের আমজনতা। যদিও সেই সঙ্গেই বিচারপ্রক্রিয়ার স্বচ্ছতার কথা বলেছেন তিনি। তবু প্রশ্ন উঠছে, আগে থেকেই ফাঁসির কথা বলার পর আদৌ কি স্বচ্ছ উপায়ে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে? বিচারের নামে প্রহসনই কি দেখবে না বাংলাদেশ?

মঙ্গলবারই সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, হাসিনা চাইলে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম বিদেশি আইনজীবী আনতে পারেন। তাঁদের সরকার চায় স্বচ্ছ বিচার প্রক্রিয়া। আর এখানেই উঠছে প্রশ্ন। আমজনতার ধুয়ো তোলার মধ্যে দিয়ে কি পরোক্ষে এটাই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে না যে, হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁকে দ্রুত ফাঁসির মঞ্চ পর্যন্ত নিয়ে যেতে চাইছে প্রশাসন! এমনই সংশয় ওয়াকিবহাল মহলের। এদিকে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আদালতের চিফ প্রোসিকিউটর তথা প্রধান সরকারি আইনজীবীও জানিয়েছেন, দেশে পা রাখা মাত্রই হাসিনাকে সোজা জেলে পাঠানো হবে। তাঁকে আর কোনও সুযোগ দেওয়া হবে না। ফলে সব মিলিয়ে বিপদ বাড়ছে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর।

Advertisement

২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আদালতে দোষী সাব্যস্ত হন শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। তাঁকে ফাঁসির সাজা শোনানো হয়। কিন্তু তিনি আপাতত নয়াদিল্লির আশ্রয়ে থাকায় তা কার্যকর করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে ‘অকুতোভয়’ হাসিনা সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে জানিয়েছিলেন, মৃত্যু পরোয়ানায় ভয় পান না, আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই দেশে ফিরবেন, আত্মসমর্পণ করবেন। তাঁর এই মন্তব্যে বাংলাদেশে রীতিমতো শোরগোল পড়ে যায়। বিএনপি, জামাত, এনসিপি সকলেই একসুরে দাবি তোলেন, ফিরলেই হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতের ঘোষিত সাজা কার্যকর করতে হবে অর্থাৎ মৃত্যুদণ্ড চাই। সেই সুরই যেন শোনা গেল তারেকের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার কণ্ঠস্বরেও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.