Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৮ জুন ২০২৬
Chattogram

চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ বোঝাই পাক বিস্ফোরক, ভারতে সন্ত্রাস ছড়ানোর ছক!

বাংলাদেশের সন্ত্রাসীদের হাতে অস্ত্র পৌঁছে দিতে তৎপর আইএসআই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৪, ১৪:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৯, ২০২৪, ১৪:৪৭

options
link
চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ বোঝাই পাক বিস্ফোরক, ভারতে সন্ত্রাস ছড়ানোর ছক! zoom
পাকিস্তানি জাহাজে চট্টগ্রাম বন্দরে আসা বিস্ফোরক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আশঙ্কা ছিলই, সেই আশঙ্কাকে সত্যি করে পাকিস্তান থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক পৌঁছল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে! ইউনুস জমানায় মৌলবাদের বাড়বাড়ন্তের মাঝেই বাংলাদেশে এই পাক অস্ত্রের ভাণ্ডার ভারতের জন্য উদ্বেগের। বিশেষজ্ঞদের অনুমান, আইএসআই-এর তরফে বাংলাদেশে বেড়ে ওঠা সন্ত্রাসবাদীদের হাতে পৌঁছে যাবে এই বিস্ফোরক। যা ব্যবহৃত হবে পশ্চিমবঙ্গ-সহ উত্তর-পূর্ব ভারতকে অশান্ত করতে।

শনিবার এক্স হ্যান্ডেলে এই বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে আওয়ামি লিগ। চট্টগ্রাম বন্দরে বোঝাই করা বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকের ছবি প্রকাশ্যে আনা হয়েছে। জানানো হয়েছে, গত ২১ ডিসেম্বর পাকিস্তানের করাচি থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছয় এইসব বিস্ফোরক। ‘সিসমিক ইমালসন’ নামের এই বিস্ফোরকগুলি যে কোনও রকম নির্মাণ ধ্বংস করতে সক্ষম। এবং এই বিস্ফোরকের মাধ্যমে তৈরি বোমায় হতাহতের সংখ্যাও ভয়াবহ আকার নেয়। একইসঙ্গে আওয়ামি লিগের দাবি, ‘চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের এক আধিকারিক ওই সব কন্টেনারের ছবি প্রকাশ্যে আনেন। এই কন্টেনারে লাল রঙে স্পষ্ট লেখা রয়েছে বিস্ফোরক শব্দ। বাংলাদেশের নৌবাহিনী কয়েক ঘণ্টার জন্য এই কন্টেনারগুলিকে আটক করলেও পরে অজ্ঞাত কারণে তা ছেড়ে দেওয়া হয়।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাংলাদেশে এই ঘটনা অবশ্য প্রথমবার নয়, ২০০৪ সালের ১ এপ্রিল চট্টগ্রামের সিইউএফএল ঘাট থেকে আটক করা হয় অস্ত্র বোঝাই ১০টি ট্রাক। যা পাকিস্তান থেকে ঘুরপথে আনা হয়েছিল বাংলাদেশে। সেবছর অসমের জঙ্গিনেতা পরেশ বড়ুয়া বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল। অভিযোগ ছিল, আলফার নাশকতামূলক কার্যকলাপের জন্যই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র পাচার করা হচ্ছিল। যদিও হাসিনা আমলে এই ঘটনার তদন্তে বাংলাদেশের প্রাক্তন শিল্পমন্ত্রী ও জামাতের আমির মতিউর রহমান নিজামী, তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর, আলফার কমান্ডার পরেশ বড়ুয়া এবং দুই গোয়েন্দা সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-সহ ১৪ জনকে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়।

তবে সময় বদলেছে। ইউনুস আমলে বাংলাদেশে মাত্রাছাড়া আকার নিয়েছে মৌলবাদ। পাকিস্তানের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়েছে নয়া বাংলাদেশ। সরাসরি পাকিস্তানের জাহাজ বাংলাদেশের বন্দরে ভেড়ানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, আইএসআই সরাসরি বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে অস্ত্র ও অর্থ যোগান দিচ্ছি। জাহাজে করে পাকিস্তান থেকে আসছে অস্ত্র। উদ্দেশ্য অত্যন্ত স্পষ্ট, অসম, মেঘালয়, পশ্চিমবঙ্গ-সহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকে অশান্ত করে তোলা। ইতিমধ্যতেই অসম, পশ্চিমবঙ্গ, কেরলের মতো রাজ্যে নিজের ঘাঁটি শক্ত করতে শুরু করেছে বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লা বাংলা টিম। এবার চট্টগ্রামে পাকিস্তানি অস্ত্রের চালান স্পষ্ট করছে ভারতে নাশকতার বীজ ছড়াতে কীভাবে বাংলাদেশকে বোড়ে হিসেবে ব্যবহার করছে পাকিস্তানের আইএসআই।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.