Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
PM Tarique Rahman

আগেই মোদির ‘দূতে’র সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ তারেকের, এবার দ্রুত বৈঠক চেয়ে আর্জি ‘শঙ্কিত’ চিনের

অতীত ভুলে নতুন করে ভারত-বাংলাদেশ ফের কাছাকাছি! এই অবস্থায় সাক্ষাৎ করতে চেয়ে তারেকের সময় চাইলেন ঢাকায় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

Advertisement
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৪:৫৪

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬, ১৪:৫৪

options
link
আগেই মোদির ‘দূতে’র সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ তারেকের, এবার দ্রুত বৈঠক চেয়ে আর্জি ‘শঙ্কিত’ চিনের zoom
তারেকের সময় চেয়ে চিঠি চিনের রাষ্ট্রদূতের।

দীর্ঘ ১৭ মাসের অস্থিরতা শেষে বাংলাদেশের বুকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে স্থায়ী সরকার। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন তারেক রহমান। তাৎপর্যপূর্ণভাবে শপথের দিনে ভারতে আসার জন্য খালেদা পুত্রকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘দূত’ ওম বিড়লা। শুধু তাই নয়, তারেকের সঙ্গে একান্ত বৈঠকও করেছেন তিনি। সেই বৈঠকেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর হাতে মোদির বার্তা তুলে দিয়েছেন বিড়লা। সূত্রের খবর, চিঠিতে বাংলাদেশের নয়া রাষ্ট্রপ্রধানকে দিল্লিতে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে অতীত ভুলে নতুন করে ভারত-বাংলাদেশ ফের কাছাকাছি! যা নিয়ে শঙ্কিত চিন! এরপরেই সাক্ষাৎ করতে চেয়ে তারেকের সময় চাইলেন ঢাকায় নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। 

সম্প্রতি এই মর্মে একটি চিঠিও ওয়েন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পাঠিয়েছেন বলে খবর। একদিকে যখন চিনা রাষ্ট্রদূত তারেকের সময় চাইছেন সেই সময় পালটা বাংলাদেশের নয়া বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের সময় চেয়েছেন ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় কুমার বর্মাও। সে দেশের বিদেশমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রণয় বর্মার সাক্ষাৎ এক প্রকার হয়ে গিয়েছে। ওই আধিকারিকের কথায়, ”লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা গত মঙ্গলবার শপথ অনুষ্ঠানের পর প্রধানমন্ত্রী তারেকের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সে বৈঠকে ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিশ্রী, হাইকমিশনার প্রণয় বর্মা-সহ দূতাবাসের অন্য আধিকারিকরাও ছিলেন।” যেখানে একাধিক বিষয় নিয়ে চর্চা হয়েছে বলেই দাবি।

Advertisement

এই অবস্থায় হাসিনা পরবর্তী সময়ে ভারত এবং বাংলাদেশ সম্পর্ক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে বলেই মত ওয়াকিবহালমহলের। ইউনুস জমানায় তলানিতে পৌঁছে যাওয়া সম্পর্ক নতুন করে মজবুত হতে চলেছে বলেও মত। আর তা রীতিমতো উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রতিবেশী চিন-পাকিস্তানের। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়ে চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের চিঠি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, সৌজন্য সাক্ষাৎ চেয়ে দুটি পৃথক চিঠি দিয়েছেন চিনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। একটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এবং আরেকটি বিদেশমন্ত্রী ড.খলিলুর রহমানকে পাঠিয়েছেন ওয়েন। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বিদেশমন্ত্রককে অনুরোধ করেন তিনি।

বলে রাখা প্রয়োজন, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি চিন আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ চেয়েছিল। তবে তখনও শপথ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। এই অবস্থায় নতুন চিঠি দিয়ে সময় চাওয়া হয়েছে। বলে রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ইউনুস গত শনিবার ১৩ দেশের সরকার প্রধানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। ভারত-সহ একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.