Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh Viral Video

‘আমরা থানা পুড়িয়েছি, এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’, বিস্ফোরক দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতার

এই ঘটনার বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৯:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৯:০৯

options
link
‘আমরা থানা পুড়িয়েছি, এসআইকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’, বিস্ফোরক দাবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘আমরা থানা পুড়িয়ে দিয়েছি, এসআই সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছি’। এমনই বিস্ফোরক দাবি শোনা গেল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতার মুখে। হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারীকের সঙ্গে প্রকাশ্যে ঝামেলায় জড়ালেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা। হবিগঞ্জ জেলা সদস্য সচিব মাহদি হাসান। তাঁর মুখেই শনা গেল এমন দাবি। থানার ভেতরে এই বাগবিতন্ডার ভিডিও ছড়িয়ে পরে সমাজমাধ্যমে। এই ঘটনায় শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় এই ঘটনা ঘটেছে। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, থানার ভেতরে ওসির সঙ্গে তর্কে চলাকালীন মাহদি হাসান নিজেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা দাবি করেছেন। পাশাপাশি এই সব হিংসাত্মক ঘটনার কথা উল্লেখ করে হুমকিও দেন তিনি। ভিডিওতে মাহদি হাসানকে বলতে শোনা যায়, “আমরা আন্দোলন করে সরকার রিফর্ম করেছি। সেই জায়গায় প্রশাসন আমাদের লোক। আপনি আমাদের ছেলেকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে এসেছেন। আমাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা করছেন। এখন বলছেন, আন্দোলনকারী হয়েছেন তো কী হয়েছে? আমাদের এইখানে ১৭ জন শহীদ হয়েছে। আমরা বানিয়াচং থানাকে পুড়িয়ে দিয়েছিলাম। এসআই সন্তোষকে জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম। আপনি এসেছেন ঠিক আছে, কিন্তু কোন সাহসে এই কথা বললেন জানতে চাই।”

Advertisement

শুক্রবার ভোরে শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ ছাত্রলিগ কর্মী এনামুল হাসান নয়নকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা সদস্য সচিব মাহদি হাসানের নেতৃত্বে ছাত্রদের একটি দল থানায় গিয়ে নিজেদের ‘জুলাই যোদ্ধা’ দাবি করে আটক ব্যক্তিকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশকে চাপ দেয়। পুলিশ প্রথমে তাকে ছাড়তে না চাওয়ায় ওসি আবুল কালামের সঙ্গে মাহদি হাসানের তর্ক শুরু হয়। জানা গিয়েছে, চাপের মুখে পুলিশ এনামুল হাসান নয়নকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

অভিযোগের বিষয়ে মাহদি হাসান বলেন, তিনি রেগে গিয়ে ভুল করে এই কথা বলেছেন। তাঁর দাবি, পরে তিনি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন। হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বলেন, তিনি ভিডিওটি দেখেছেন এবং ঘটনার সঙ্গে যারা যুক্ত তাঁদের সঙ্গে কথাও বলেছেন। তিনি বলেন, শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসির সঙ্গে কথা বলে তিনি জেনেছেন, নয়ন নামের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়। পরে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেন, নয়ন ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছিল। তাঁরা এর স্বপক্ষে ছবি ও ভিডিও দেখান বলেও জানান তিনি। আটক ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশ সুপার বলেন, “নয়ন একসময় ছাত্রলিগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে মনে হয়, তবে বর্তমানে তিনি ছাত্রলিগে নেই।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.