Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Tarique Rahman

ব্যাঙ্কে কত টাকা, জমি-বাড়িই বা কত? কমিশনে হলফনামায় সম্পত্তির খতিয়ান খালেদা পুত্রের

হলফনামায়, নিজের বিরুদ্ধে থাকা ৭৭টি মামলার কথা জানিয়েছেন তারেক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৪:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২, ২০২৬, ১৪:৪০

options
link
ব্যাঙ্কে কত টাকা, জমি-বাড়িই বা কত? কমিশনে হলফনামায় সম্পত্তির খতিয়ান খালেদা পুত্রের zoom
ফাইল চিত্র

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১৭ বছর পর ডিসেম্বরে দেশে ফিরেছেন তারেক রহমান (Tarique Rahman)। বছরের শেষে, মৃত্যুর সঙ্গে লড়াইয়ে হার মেনেছেন খালেদা জিয়া (Khaleda Zia)। আসন্ন নির্বাচনে বগুড়া ৬ এবং ঢাকা ১৭ থেকে ভোটে লড়ছেন তারেক। নিজের মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। সেখানেই জানিয়েছেন কত টাকার মালিক তিনি।

নিজের হলফমানায় খালেদা পুত্র জানিয়েছেন, তাঁর মোট সম্পত্তির (Total Asset) পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা। তারেকের জমা করা আয়করের হিসাব থেকে জানা গিয়েছে, ২০২৪-২৫ সালে তিনি ছয় লক্ষ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা আয় করেছেন। তিনি আয়কর জমা দিয়েছেন এক লক্ষ এক হাজার ৪৫৩ টাকা।

Advertisement

শেয়ার, সেভিংস সার্টিফিকেট, বন্ড এবং ব্যাঙ্কে জমা টাকা থেকে থেকে তাঁর মোট আয় ৬ লক্ষ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। নগদ এবং ব্যাঙ্কে জমা টাকার মোট পরিমাণ ৩১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা। তারেকের স্থায়ী আমানতের পরিমাণ ৯০ লক্ষ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকা। তাঁর ৬৮ লক্ষ টাকার শেয়ার রয়েছে। সেখানে তাঁর স্ত্রীর নামে নগদ রয়েছে ৬৬ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা রয়েছে। এর মধ্যে তাঁর স্ত্রীর মোট আয় ৩৫ লক্ষ টাকা। তারেকের স্ত্রী জুবেইদার মোট সম্পত্তি এক কোটি ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা।

বাংলাদেশের নির্বাচন বিধিতে ১০ ধরণের তথ্য জানাতে হয় নিজের হলফনামায়। এই তথ্য জনসমক্ষে আনা যায়। এই হলফনামায়, ২০০৪ সাল থেকে নিজের বিরুদ্ধে থাকা ৭৭টি মামলার কথা জানিয়েছেন তারেক। যদিও, সব মামলা থেকেই তাঁকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি-জামাত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন ‘শহিদ জিয়াউর রহমান চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’ নামে একটি সংগঠন তৈরি করেন খালেদা। অভিযোগ ওঠে, ওই ট্রাস্টের নামে অবৈধ উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করা হয়। ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালীন খালেদা প্রায় ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এখানেই শেষ নয়। ২০০৫ সালের ৯ জানুয়ারি তেজগাঁওয়ে একটি ব্যাঙ্কে সঞ্চয়ী অ্যাকাউন্ট খোলেন খালেদা। অভিযোগও ওঠে, ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অবৈধ উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ এবং জমা করেন খালেদা। একটি সূত্রের দাবি, বাংলাদেশে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫ কোটি টাকার কাছাকাছি।

নিজের হলফনামায় তারেক জানিয়েছেন, তিনি উচ্চমাধ্যমিক স্তর অবধি পরাশুনা করেছেন। তাঁর মূল পেশা রাজনীতি। তারেকের দাবি, তাঁর আয়ের মূল উৎস শেয়ার, সঞ্চয়, বন্ড-সহ অন্যান্য সঞ্চয় প্রকল্প।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.