Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Teesta Water Treaty

বাংলায় পালাবদলে তিস্তা চুক্তি নিয়ে আশার আলো দেখছে বাংলাদেশ, নজর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও

দীর্ঘ সময় পর সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় এবং বিজেপির ক্ষমতায় আসা দু'দেশের সম্পর্কের উপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ১২:২০

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ১২:২০

options
link
বাংলায় পালাবদলে তিস্তা চুক্তি নিয়ে আশার আলো দেখছে বাংলাদেশ, নজর দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও zoom
তিস্তা চুক্তি নিয়ে আশার আলো দেখছে বাংলাদেশ।
Advertisement

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতার পালাবদল নিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও চলছে নানা বিশ্লেষণ ও আলোচনা। বিশেষত, দীর্ঘ সময় পর সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায় এবং বিজেপির ক্ষমতায় আসা দু’দেশের সম্পর্কের উপর কী প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

‘পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারে যেই থাকুক না কেন, অমীমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধানে বাংলাদেশে একই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করবে” বলে উল্লেখ করেছেন বিদেশ রাষ্ট্রমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। ডিসেম্বরে মেয়াদ শেষ হতে চলা গঙ্গা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে ঢাকা ‘আশাবাদী’ বলেও মন্তব্য করেন শামা। তিনি বলেন, “এখন তো চুক্তিটা শেষ হচ্ছে। তা নিয়ে অবশ্যই আমাদের আলোচনা হবে, আমাদের জলসম্পদ মন্ত্রণালয় আছে, অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় জড়িত। ভারতের সঙ্গে আলোচনা হবে। আলোচনার ভিত্তিতেই আবার চুক্তি নবীকরণ হবে।”

Advertisement

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে পালাবদল মিশ্র প্রতিক্রিয়া এবং কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে। নীতিনির্ধারক, রাজনৈতিক দল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রধান যে ভাবনাগুলো উঠে আসছে, তা হচ্ছে-ভারত ও বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বিশেষ প্রভাব পড়বে না। বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলির প্রধান উদ্বেগের জায়গা হল তিস্তা নদীর জলবণ্টন, সীমান্ত হত্যা এবং পুশব্যাক ইস্যু। এতদিন তিস্তা চুক্তির ক্ষেত্রে মমতার বিরোধিতা প্রধান বাধা ছিল বলে ধারণা বাংলাদেশের। এখন সেই বাধার অপসারণ হলেও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের অনুপ্রবেশ সংক্রান্ত কঠোর অবস্থান নতুন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেকের আশঙ্কা, বাংলাদেশি তকমা দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা আরও বাড়তে পারে। বিএনপি-র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভি অবশ্য এই নির্বাচনকে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসাবে অভিহিত করেছেন।

তিস্তা জলবণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারত-বাংলাদেশের জটিলতা দীর্ঘদিনের। ২০১১ সালে চুক্তিটি স্বাক্ষর করার কথা ছিল ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংহের। কিন্তু তাতে বাধা দেন মমতা। বাংলাদেশের অভিযোগ, চাষের জন্য পর্যাপ্ত জল তারা পায় না। পরিবর্তে বর্ষার সময় বানভাসি অবস্থা হয়। এর ফলে সে দেশের কৃষি এবং জীবিকায় প্রভাব পড়ে। ওই চুক্তির প্রস্তাব ছিল, ডিসেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত তিস্তার জলের ৪২.৫ শতাংশ পাবে ভারত। ৩৭.৫ শতাংশ পাবে বাংলাদেশ। কিন্তু মমতা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই চুক্তির ফলে উত্তরবঙ্গের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী, জলের উপর রাজ্যের অধিকার স্বীকৃত, তাই মমতার আপত্তি উপেক্ষা করে চুক্তিটি রূপায়ণ করা কেন্দ্রের পক্ষে সম্ভব ছিল না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.