Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২১ জুন ২০২৬
Bangladesh

একাত্তর ভোলেনি বাংলাদেশ! ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে তারেকের বার্তা জামাতকে

শনিবার সারা দিন শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন সব পেশার মানুষ।

Advertisement
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৩:৫৯

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ১৩:৫৯

options
link
একাত্তর ভোলেনি বাংলাদেশ! ভাষা শহিদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে তারেকের বার্তা জামাতকে zoom
পুস্পস্তবক অর্পণ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিজস্ব ছবি

শুক্রবার মধ্যরাতে একুশের প্রথম প্রহরে ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন পুস্পস্তবক অর্পণ করলেন শহিদ মিনারে। আর তারপরই পুস্পস্তবক অর্পণ করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও। গত দেড় বছরে বারবার জামাতের ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশে বাঙালি অস্মিতা আক্রান্ত হয়েছে। নতুন শপথ নিয়েই প্রথম একুশে ফেব্রুয়ারি তারেক যেন বুঝিয়ে দিলেন একাত্তর ভোলেনি বাংলাদেশ। ভোলেনি কীভাবে বাংলা ভাষার প্রতি তীব্র প্রেমই পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছিল।

উল্লেখ্য, এদিন শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ভাষা শহিদদের স্মরণে বিশেষ দোয়ায় অংশ নেন তারেক। এরপর মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানান। আজ শনিবার সারা দিন শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন সব পেশার মানুষ। এদিকে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শহিদ মিনারে শ্রদ্ধা জানান জামাতে ইসলামের নেতা-কর্মীরাও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন পুস্পস্তবক অর্পণ করছেন শহিদ মিনারে। নিজস্ব চিত্র

বলে রাখা ভালো, ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয় তৎকালীন পূর্ব বাংলার রাজধানী ঢাকায় ১৯৪৭ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরে। ১৯৪৮ সালের মার্চে তা সীমিত আকারে বিস্তার লাভ করে এবং ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি এর চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল বের করলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে কয়েকজন ছাত্র শহিদ হন। পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ মানুষও রাজপথে নেমে প্রতিবাদ জানায় এবং মেডিক্যাল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে গায়েবি জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। ভাষা শহিদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে ২৩ ফেব্রুয়ারি রাতারাতি একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হলেও ২৬ ফেব্রুয়ারি তা গুঁড়িয়ে দেয় পাকিস্তান সরকার। তবে এ ঘটনার মধ্য দিয়ে ভাষা আন্দোলন আরও বেগবান হয়।

পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের পর ৭ মে গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি সংবিধানে সংশোধন এনে বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা করা হয়। পরে ১৯৮৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন বিল’ পাস হয় এবং একই বছরের ৮ মার্চ থেকে তা কার্যকর করা হয়। বাংলা ভাষা আন্দোলনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসে ২০১০ সালে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.