Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

‘কাঁটা’ হাসিনা, আগামী মাসে ভারত সফর এড়াচ্ছেন তারেক! ত্রিবেদীর কথায় কোন ইঙ্গিত?

সেপ্টেম্বর দু'দিনের ব্রিকস সম্মেলনে নয়াদিল্লি আসার কথা ছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ২০:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৬, ২০:৫৭

options
link
‘কাঁটা’ হাসিনা, আগামী মাসে ভারত সফর এড়াচ্ছেন তারেক! ত্রিবেদীর কথায় কোন ইঙ্গিত? zoom
হাসিনা 'কাঁটায় তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে অনিশ্চয়তা, কী জানালেন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী
Advertisement

দু’দেশের সহজ সম্পর্ক কিছুটা জটিল হয়েছে ২০২৪ সালে বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের পর। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর। সেই পরিস্থিতি জটিলতর হল গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লি থেকে শেখ হাসিনার ভারচুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনের পর। স্বদেশে প্রত্যাবর্তন নিয়ে তাঁর জোরালো ঘোষণার পর বাংলাদেশে গুঞ্জন, ফিসফাস শুরু হয়েছে। হাসিনা ‘কাঁটা’ বিঁধছে তারেক রহমান সরকারকে। আগামী মাসে ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে আসার কথা ছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে। তাঁর সেই সফর অনিশ্চিত হয়ে গেল। বাংলাদেশের ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর কথায় তেমন ইঙ্গিত মিলল। ত্রিবেদীর ছোট্ট মন্তব্য, ‘‘মুখোমুখি দুই প্রধানমন্ত্রী কথা বললেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।”

বাংলাদেশের ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমরা সবাই সম্মান করি। আমার মতে, যদি দুই রাষ্ট্রনেতার (নরেন্দ্র মোদি ও তারেক রহমান) আলোচনা হয়, তবে অনেক সমস্যার সমাধান হবে। আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের পথ খোলে। এখানে কোনও নেতিবাচক দিক নেই। সবটাই ইতিবাচক।’’

আগামী মাসে সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের সমীকরণ বদলেছে বেশ খানিকটা। আগামী মাস অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের ১২ ও ১৩ তারিখ নয়াদিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলন। তাতে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। আসারও কথা ছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর। কিন্তু নয়াদিল্লি থেকে হাসিনার সাংবাদিক সম্মেলনের পর তারেক ব্রিকস সম্মেলনে ভারত সফর এড়াতে পারেন বলে জল্পনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমরা সবাই সম্মান করি। আমার মতে, যদি দুই রাষ্ট্রনেতার (নরেন্দ্র মোদি ও তারেক রহমান) আলোচনা হয়, তবে অনেক সমস্যার সমাধান হবে। আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যা সমাধানের পথ খোলে। এখানে কোনও নেতিবাচক দিক নেই। সবটাই ইতিবাচক।’’

Advertisement

যদিও এখনই তারেকের ভারত সফরের সম্ভাবনা শেষ, তা মানতে নারাজ কূটনৈতিক মহল। কারণ, গত ৫ আগস্ট হাসিনার সাংবাদিক সম্মেলনে যে ভারতের কোনও ভূমিকা নেই, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। তাছাড়া ব্রিকস সম্মেলনের পাশাপাশি মোদি এবং তারেকের মধ্যে আলাদা করে বৈঠক হওয়ার কথা। তাতে দু’দেশের একাধিক সম্পর্কের জট কাটতে পারে বলে আশাবাদী সব মহল। এখন তারেক না এলে সেই সম্ভাবনা অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে যাবে। তাই কি দীনেশ ত্রিবেদী দুই প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি বসে বৈঠকের কথা বারবার বলছেন?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.