Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Bangladesh

মমতাকে অনুসরণ তারেকের! বাংলাদেশে পুরোহিত-সহ ধর্মীয় নেতাদের ভাতা চালু বিএনপি সরকারের

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত করতে শনিবার ঢাকায় এই সাম্মানিক প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তারেক রহমান। কারা কত টাকা পাবেন?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১২:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১২:৩৪

options
link
মমতাকে অনুসরণ তারেকের! বাংলাদেশে পুরোহিত-সহ ধর্মীয় নেতাদের ভাতা চালু বিএনপি সরকারের zoom
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুসরণ করে পুরোহিত-সহ ধর্মগুরুদের ভাতা চালু তারেক রহমান সরকারের।

ধর্মস্থান থেকে ধর্মীয় নেতাদের আর্থিক সাহায্যের ক্ষেত্রে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই অনুসরণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান! শনিবার তিনি ঢাকায় পুরোহিত, ইমাম-সহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সাম্মানিক প্রদান বা ভাতা দেওয়ার কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন। বিএনপি-র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত করতে এই কর্মসূচি চালু হল বলে জানানো হয়েছে সরকারের তরফে। বাংলাদেশের তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, আপাতত পাইলট প্রোজেক্ট হিসেবে এই কর্মসূচি। দেশের মোট ৪৯০৮টি মসজিদ এবং ৯৯০ টি মন্দিরের ধর্মীয় প্রধানদের মাসিক সাম্মানিক দেওয়া হবে। এর আওতায় রয়েছে গির্জা, বৌদ্ধবিহারও। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার পুরোহিত, ইমাম, মোয়াজ্জেনদের মাসিক ভাতা দেয়।

বিএনপি সরকারের এই আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের রূপরেখা অনুযায়ী, প্রতিটি মসজিদ মাসে মোট ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক হিসেবে পাবে।মসজিদের ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মোয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন। হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদের ধর্মস্থানগুলির জন্য প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা করে বরাদ্দ হয়েছে। এর মধ্যে মন্দিরের পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন।

বিএনপি সরকারের এই আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের রূপরেখা অনুযায়ী, প্রতিটি মসজিদ মাসে মোট ১০ হাজার টাকা সাম্মানিক হিসেবে পাবে। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মসজিদের ইমাম পাবেন ৫ হাজার টাকা, মোয়াজ্জিন ৩ হাজার টাকা এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন। অন্যদিকে, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানদের ধর্মস্থানগুলির জন্য প্রতি মাসে ৮ হাজার টাকা করে বরাদ্দ হয়েছে। এর মধ্যে মন্দিরের পুরোহিত ৫ হাজার টাকা এবং সেবাইত ৩ হাজার টাকা পাবেন। একইভাবে বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষকে ৫ হাজার ও উপাধ্যক্ষকে ৩ হাজার টাকা দেওয়া হবে। খ্রিস্টান চার্চের যাজক পাবেন ৫ হাজার টাকা, সহকারী যাজক ৩ হাজার টাকা সাম্মানিক পাবেন। জাতীয় পর্যায়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

২০২৪ সালে হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের বেহাল ছবিটা প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। বিশেষত হিন্দুদের উপর লাগাতার হিংসা, অত্যাচারের মাত্রা ক্রমশই বেড়ে যায় মহম্মদ ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। আক্রান্ত হয় মন্দিরস, গির্জার মতো ধর্মীয় উপাসনাস্থলও। এসবের জেরে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের মুখ পুড়েছে। তাই সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ ভুলে সর্বধর্ম সহিষ্ণু বাংলাদেশের ইমেজ পুনরুদ্ধারে জোর দিয়েছে বিএনপি। তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতেই সব ধর্মকে সমান সম্মান প্রদর্শনের কথা শুনিয়েছিলেন নেতারা। তা বাস্তবায়িত করতেই পুরোহিত, ইমাম, যাজকদের জন্য মাসিক ভাতা চালু করা হল।

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.