বিদ্যুৎ বিভ্রাট চরমে! দিনের অধিকাংশ সময় লোডশেডিং। এই অবস্থায় সবচেয়ে বেশি মার খাচ্ছে বাংলাদেশের অন্যতম অর্থনৈতিক ক্ষেত্র বস্ত্রশিল্প। গ্যাস, বিদ্যুৎ না থাকায় কোথাও কোথাও বহু কাপড় কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। শুধুমাত্র নরসিংদীতেই ১০০ কারখানার কাজ স্থগিত হয়ে গিয়েছে বলে খবর। যার জেরে বিপুল লোকসানের পথে ব্যবসায়ীরা। যেসব কারখানা কোনওক্রমে উৎপাদনের কাজ টিকিয়ে রেখেছে, তাদের অবস্থাও তথৈবচ। কেউ কেউ অর্ধেক শ্রমিককে ছুটিতেই পাঠিয়ে দিয়েছেন। এতে কর্মী, শ্রমিকরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত। এভাবে চললে অর্থনৈতিক দিক থেকেও আঁধার নেমে আসবে দেশে, এমনই আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।
বাংলাদেশ সাধারণত লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর নির্ভরশীল। তাতেও সরবরাহ করা মুশকিল হয়ে উঠেছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের গোটা দেশের উৎপাদন ক্ষেত্রই বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। জানা গিয়েছে, নরসিংদীতে ১০০টি বস্ত্র কারখানার কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সাভার, নারায়ণগঞ্জেও উৎপাদন তলানিতে।
আরও পড়ুন:
জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকে বাংলাদেশে গ্যাস সংকট শুরু হয়েছে। ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের ‘তৈল ধমনী’ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ায় তার প্রভাব পড়েছিল এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। পাম্পগুলিতে ডিজেল নেওয়ার দীর্ঘ লাইন। কেউ কেউ বাড়তি ডিজেল সঞ্চয় করেছেন। তার জেরে সংকট আরও বেড়েছে। মাস ঘুরতে চললেও সেই প্রতিকূলতা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি প্রতিবেশী দেশ। এই অবস্থায় দেশের উৎপাদন ক্ষেত্র সবচেয়ে বিপদে পড়েছে। মালিকরা জানাচ্ছেন, ডিজেল নির্ভরতা কমিয়ে জৈব জ্বালানির ব্যবহার বাড়িয়ে তোলা হয়েছে। কাঠকয়লা জ্বালিয়ে মেশিনগুলি সচল রাখা হয়েছে। তবে তা আর কতক্ষণ? বিদ্যুৎ সংকটের জেরে গাজিপুর, নারায়ণগঞ্জের মতো বস্ত্র কারখানাগুলি কার্যত স্তব্ধ। আরও বড় বিপদ পাবনার ওষুধ কারখানায়। নতুন করে উৎপাদন করা কার্যত মুশকিল হয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশ সাধারণত লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাসের উপর নির্ভরশীল। তাতেও সরবরাহ করা মুশকিল হয়ে উঠেছে। প্রাকৃতিক গ্যাসের গোটা দেশের উৎপাদন ক্ষেত্রই বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে। জানা গিয়েছে, নরসিংদীতে ১০০টি বস্ত্র কারখানার কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সাভার, নারায়ণগঞ্জেও উৎপাদন তলানিতে। কোনও কোনও মালিক অর্ধেক শ্রমিককে ছুটিতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এভাবে মাঝপথে কাজ থমকে যাওয়ায় তাঁরাও আতান্তরে। তবে কি গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে তাঁদের কাজও আর থাকবে না? এই ভেবেই কপালে চিন্তার ভাঁজ। এদিকে, বস্ত্রশিল্প বাংলাদেশের অন্যতম অর্থনৈতিক সংস্থান। সেখানে লোকসানের অর্থ গোটা দেশের অর্থনীতি ধাক্কা খাওয়া। এই সংকট মোকাবিলা এখন তারেক সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ নিঃসন্দেহে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব্রাজিল ম্যাচের আগেই পানামার বিরুদ্ধে নামবে ভারত, দিনক্ষণ জানিয়ে দিল ফেডারেশন
-
ঠিকভাবে উল্লেখ নেই রাস্তার নাম! কলকাতা পুরসভার ওয়ার্ড বিন্যাস নিয়ে ৭ দফা আপত্তি সিপিএমের
-
হাসপাতালে থাকতে নারাজ বিমান বসু, ফিরতে চাইছেন কলকাতায়! কবে ছুটি?
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে, সুন্দরবনে প্রমোদতরী! পর্যটনকে ঢেলে সাজাতে মাস্টার প্ল্যান রাজ্যের
-
আচমকা মস্কোয় অবতরণ করল মার্কিন সেনার বিমান! ঘনাচ্ছে রহস্য, কী বলল ক্রেমলিন?