Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

৯ ঘণ্টা লোডশেডিং, রাত ৮টায় বন্ধ দোকান-বাজার, আলোর খোঁজে ভারতের দ্বারস্থ ‘অন্ধকার’ বাংলাদেশ! 

বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকার বাইরে গ্রামীণ এলাকাতে বিদ্যুৎ সংকট সবচেয়ে বেশি। সেখানে সন্ধে হলেই নিকষ কালো অন্ধকার নামছে। দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। তীব্র গরম এই দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ২১:৩১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ২১:৩১

options
link
৯ ঘণ্টা লোডশেডিং, রাত ৮টায় বন্ধ দোকান-বাজার, আলোর খোঁজে ভারতের দ্বারস্থ ‘অন্ধকার’ বাংলাদেশ!  zoom
ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

বিদ্যুতের চাহিদা আর যোগানের মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত। এই অবস্থায় অন্ধকারে ডুবল বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা। কোনও কোনও এলাকায় দিনে ৯-১০ ঘণ্টা অবধি বিদ্যুৎ থাকছে না। পরিস্থিতি এতটাই জটিল যে তারেক রহমান সরকার এক নির্দেশিকা জারি করে কোনও কোনও অঞ্চলে শপিং মল, বাজার, দোকানপাট ইত্যাদি রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে বলেছে। তীব্র বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়ছে ব্যবসা থেকে কৃষি ক্ষেত্রে। বিপাকে পড়ে ভারতের দ্বারস্থ বিএনপি সরকার। দিল্লির কাছে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ করেছে ঢাকা।

বাংলাদেশের একাধিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাজধানী ঢাকার বাইরে গ্রামীণ এলাকাতে বিদ্যুৎ সংকট সবচেয়ে বেশি। সেখানে সন্ধে হলেই নিকষ কালো অন্ধকার নামছে। দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। তীব্র গরম এই দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। সূত্রের খবর, বিদ্যুতের চাহিদা যখন প্রায় ১৮,০০০ মেগাওয়াটের কাছাকাছি, তখন সরবরাহ ১৩,০০০ মেগাওয়াটের গণ্ডি স্পর্শ করতেও হিমশিম খাচ্ছে।

Advertisement

ঢাকা ট্রিবিউনের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিনের পর দিন ধরে চলা অত্যধিক লোডশেডিংয়ের বিরক্ত এলাকাবাসী কিছু এলাকায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলিতে হামলা চালাচ্ছে। ফলে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি গ্রিড, সাব-স্টেশন ও বিদ্যুৎ অফিসগুলি পুলিশি নিরাপত্তা চাইছে। গত কয়েক দিনে স্থানীয় থানাগুলোতে বিদ্যুৎ সমবায় সমিতিগুলির পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুতের অফিসগুলিতে পুলিশ মোতায়েন থাকে। নৈশ টহলেরও অনুরোধ জানানো হয়েছে। নীলফামারীর সৈয়দপুর এবং কুষ্টিয়ায় বিদ্যুতের দপ্তরে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।

কিছু এলাকায় বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের অভিযানের সময় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর হামলা হয়েছে। ‘ডেইলি স্টার’-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেত্রকোনায় আধিকারিকরা হুমকি ফোন পাচ্ছেন, অফিস ভাঙচুরের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে অধিকাংশ গ্রামীণ এলাকায় বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

এই পরিস্থিতির কারণ জ্বালানি অপ্রতুলত। বিশেষ করে প্রাকৃতিক গ্যাসের ঘাটতি। বাংলাদেশ তার প্রয়োজনীয় তেলের ৯০ শতাংশেরও বেশি এবং গ্যাসের ৩০ শতাংশ আমদানি করে থাকে। এখন সংকট থেকে মুক্তি পেতে ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। গত সপ্তাহে বাংলাদেশের জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠকে বিষয়টি জানানো হয়। ভারতের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলেই জানা গিয়েছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.