Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Bangladesh

প্রকৃতির রোষানলে বাংলাদেশ! বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢালে ধস নেমে মৃত প্রায় ৫০

কক্সবাজারে ১৯ মাসের শিশু-সহ বানের জলে তলিয়ে গেল ২ শিশু, স্কুল-কলেজের পরীক্ষাও বন্ধ।

সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১৬:২৭

link
সুকুমার সরকার
সুকুমার সরকার

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২৬, ১৬:২৭

options
link
প্রকৃতির রোষানলে বাংলাদেশ! বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢালে ধস নেমে মৃত প্রায় ৫০ zoom
প্রকৃতির রোষানলে বাংলাদেশ
Advertisement

দিন পনোর ধরে প্রকৃতির অভিশাপে জেরবার বাংলাদেশ। দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ এবং জলস্ফীতি, পাহাড়ের ধসে মৃত্যু হয়েছে প্রায় ৫০ জনের। কক্সবাজারের চকরিয়া ও পেকুয়ায় বানের জলের প্রবল স্রোতে ভেসে গিয়েছে দুই শিশু। শনিবার তারা নিখোঁজ হয়। ভেসে যাওয়া দুই শিশু – জলদাসপাড়ার বছর বারোর সুজিত দাস এবং বলিরপাড়া এলাকার মাত্র ১৯ মাসের মুশফিকুর রহিম। অবিরাম বর্ষণ থেকে বাদ নেই রাজধানী ঢাকাও। সপ্তাহভর অঝোর ধারায় বৃষ্টিতে ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায় জলমগ্ন। ফলে কিছু স্কুলে ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছে। চরম ভোগান্তিতে কর্মজীবী মানুষজন।

গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ এবং সীমান্ত পেরিয়ে আসা পাহাড়ি ঢলে এক বিস্তীর্ণ জনপদ এখন অথৈ জলের নিচে। কোথাও বুকসমান জল, কোথাও আবার মাথার ওপর ভেঙে পড়েছে আস্ত পাহাড়ের চাঙড়। প্রকৃতির এই তাণ্ডবে ওলটপালট হয়ে গেছে লাখো মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। শুধু সরকারি সর্বশেষ হিসাব মতে, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ – এই সাতটি জেলার ৩৮৬টি ইউনিয়ন ও ১১টি পৌরসভা এখন পুরোপুরি বা আংশিক জলমগ্ন। হঠাৎ ধেয়ে আসা এই জলস্রোত কেড়ে নিয়েছে অন্তত ৪৬টি প্রাণ। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ১০ লাখ ২২ হাজার। বিপন্ন এই জনপদে এখন কেবলই বেঁচে থাকার আকুতি, নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজ আর জল কমার প্রতীক্ষা।

Advertisement
বন্যায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত পর্যটন নগরী কক্সবাজার এবং বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম

চলতি বন্যায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত পর্যটন নগরী কক্সবাজার এবং বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম। এই এলাকায় অনিয়ন্ত্রিত পাহাড় কাটার চড়া মূল্য দিতে হচ্ছে এই অঞ্চলের বাসিন্দাদের। এখন পর্যন্ত ৪৪ জন মৃতের মধ্যে সর্বোচ্চ ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজারে। যার মধ্যে ১০ জন স্থানীয় বাসিন্দা হলেও বাকি ১৩ জন আশ্রয়শিবিরে থাকা রোহিঙ্গা নাগরিক। পাহাড়ের ঢালু জায়গায় অপরিকল্পিতভাবে বসবাসের কারণে ভারি বৃষ্টিপাতে মাটি ধসে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রামে দেয়াল ধসে ও বন্যার জলে ডুবে মারা গিয়েছেন ১১ জন।

পাহাড়বেষ্টিত জেলা বান্দরবানে ঢলের জলে ভেসে এবং পাহাড় ধসে প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন। রাঙামাটিতে ৩ জন এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মৌলভীবাজারে বন্যায় ১ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। দেশের দশটিরও বেশি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এখনও ৬ জেলার কয়েকটি নদীর জল বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.