সৎ মেয়েকে গলায় ফাঁস দিয়ে খুনের পর দেহ লোপাট! শাস্তি এড়াতে ধর্ষণ ও অপহরণের মামলা সাজিয়েছিল বাবা। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হল না। অবশেষে পুলিশের জালে গুণধর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের ঢাকার অদূরে নরসিংদীতে। পুলিশি জেরার মুখে ধৃত অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে বলেই দাবি পুলিশের।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ ফেব্রুয়ারি। ওইদিন সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বিলপাড় ও দড়িকান্দীর মাঝামাঝি একটি সর্ষেখেত থেকে এক কিশোরীর দেহ উদ্ধার করা হয়। সে সময় অভিযোগ উঠেছিল, ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় ১৫ বছর বয়সি ওই কিশোরীকে বাবার কাছ থেকে অপহরণ করে হত্যা করেছে দুষ্কৃতীরা। কারণ, কিছুদিন আগেই ওই কিশোরীকে প্রেমিক ও তার দলবল গণধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। কিন্তু তদন্তে নেমে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ওই কিশেরীর সৎবাবাই তাকে হত্যা করেছে। পুলিশ সুপার মহম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফারুক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে ওই কিশোরীর বাবা বলেন, কিশোরীর নানা কর্মকাণ্ডে তিনি বিরক্ত ছিলেন। সামাজিকভাবে বিভিন্ন সময়ে হেয় হয়েছিল। তাতেই মেয়ের প্রতি জন্মেছিল রাগ। সেই কারণেই নাকি খুনের সিদ্ধান্ত নেয় সে। “
আরও পড়ুন:
পুলিশ সুপার জানান, হত্যাকাণ্ডের ১০–১২ দিন আগে ওই যুবক বাড়িতে গিয়ে কিশোরীকে গণধর্ষণ করে। প্রধান অভিযুক্তের সঙ্গে নাকি প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিশোরীর। এর বিচার চাইতে মহিষাশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য আহম্মদ আলি দেওয়ানের কাছে যায় কিশোরী ও তার পরিবার। এই ঘটনাটি মানতে পারছিলেন না কিশোরীর সৎবাবা। সেই কারণেই খুনের ছক। গতকাল, শুক্রবার কিশোরীর সৎবাবা আশরাফ আলিকে আটক করে পুলিশ। তারপর প্রকাশ্যে আসে গোটা বিষয়।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের রাতে ওই কিশোরীকে নিয়ে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী একজন সহকর্মীর বাড়িতে যাচ্ছিলেন আশরাফ। নির্জন সর্ষেখেতের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় ওই কিশোরীকে পিছন থেকে তারই ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করেন। ওই সর্ষেখেতেই দেহ রেখে বাড়ি চলে যান আশরাফ। এরপর সে ধর্ষণ ও অপহরণের নাটক সাজায়। কিন্তু শেষরক্ষা হল না।
সর্বশেষ খবর
-
আটকে ১০ উদ্যোপতির আবেদন, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বার্তা, শহরে নয়, গ্রামেই করতে হবে মেডিক্যাল কলেজ
-
সুজানকে ৪০০ কোটির খরপোশ হৃত্বিকের! বিচ্ছেদের ১২ বছর পর প্রকাশ্যে চরম সত্য
-
তেহরানে শুরু আয়াতোল্লা খামেনেইর অন্ত্যেষ্টি, ইরানে পৌঁছেই শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ভারতীয় প্রতিনিধি দলের
-
শিক্ষায় ডিজিটাল ভারতের উৎকর্ষ! শিক্ষাগত তথ্য স্থানান্তর হল আরও সুরক্ষিত
-
মমতার হয়ে আপনি, অভিষেকের কৌঁসুলি কে? এজলাসে বিচারপতির প্রশ্নে ‘নির্বাক’ কল্যাণ