Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
US

‘ভারতে বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে ঘৃণাভাষণ’, রিপোর্ট প্রকাশ করে তোপ মার্কিন বিদেশ সচিবের

ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়ি এবং উপাসনাস্থল ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে, দাবি মার্কিন বিদেশ দপ্তরের রিপোর্টে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৪, ১৬:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৪, ১৬:৫১

options
link
‘ভারতে বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে ঘৃণাভাষণ’, রিপোর্ট প্রকাশ করে তোপ মার্কিন বিদেশ সচিবের zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারতে বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে ঘৃণাভাষণ। এমনটাই দাবি করা হয়েছে মার্কিন বিদেশ দপ্তরের রিপোর্ট। সবমিলিয়ে ২০০টি দেশের সমীক্ষার ভিত্তিতে এই রিপোর্ট তৈরি হয়েছে। বুধবার সেই রিপোর্ট প্রকাশ করেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন। সেখানে বলা হয়েছে, যেভাবে ভারতে ঘৃণাভাষণ বাড়ছে সেটা যথেষ্ট উদ্বেগের। সেই সঙ্গে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়ি এবং উপাসনাস্থলও ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে।

বিদেশ দপ্তরের এই রিপোর্ট প্রকাশ করতে গিয়ে ব্লিঙ্কেন বলেন, “আমরা দেখতে পাচ্ছি ভারতে ধর্মান্তর বিরোধী আইনগুলো আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠছে। বাড়ছে ঘৃণাভাষণ। ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বাড়ি বা উপাসনাস্থল ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। রীতিমতো কষ্ট করে ধর্মীয় স্বাধীনতা বাঁচিয়ে রাখতে হচ্ছে সংখ্যালঘুদের।” রিপোর্টে বলা হয়েছে, হিংসা থেকে সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পাঞ্জাবি যুবকের মৃত্যুতে ইটালির কড়া পদক্ষেপ দাবি ভারতের, পার্লামেন্টে শ্রদ্ধা মেলোনির

উল্লেখ্য, এই প্রথমবার নয়। আগেও ভারতে (India) ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আমেরিকা (USA)। সেদেশের আমেরিকার আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক কমিশন তথা USCIRF সুপারিশ করেছিল, ‘একটি বিশেষ উদ্বেগজনক দেশ’ হিসেবে ঘোষণা করা হোক ভারতকে। তাদের অভিযোগ, ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা গুরুতর ভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে। উল্লেখ্য, টানা চারবার এমন উদ্বেগ প্রকাশ করে ওই কমিশন। কিন্তু সেই রিপোর্ট নাকচ করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

কেবল ধর্মীয় স্বাধীনতা নয়, সিএএ কার্যকরেরও নিন্দা করেছিল মার্কিন বিদেশ দপ্তর। সেদেশের তরফে বলা হয়েছিল, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে সেটা নিয়ে আমরা গভীরভাবে চিন্তিত। ভারতে কীভাবে এই আইন কার্যকর হবে, সেদিকে কড়া নজর রাখছি। তবে আমেরিকার সাম্প্রতিক রিপোর্ট নিয়ে এখনও ভারতের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি।

[আরও পড়ুন: ধস ও বন্যায় বিপর্যস্ত নেপাল, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃত্যু শিশু-সহ অন্তত ১৪ জনের

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.