Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬
America

ট্রাম্প জিততেই আমেরিকা ছাড়ার ধুম! অন্য দেশে থিতু হতে চাইছেন বহু মার্কিনী

আমেরএক্সিট। এটাই এখন নতুন ট্রেন্ড আমেরিকায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৪, ১০:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৩, ২০২৪, ১০:২৭

options
link
ট্রাম্প জিততেই আমেরিকা ছাড়ার ধুম! অন্য দেশে থিতু হতে চাইছেন বহু মার্কিনী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরএক্সিট। এটাই এখন নতুন ট্রেন্ড আমেরিকায়। সোজা কথায়, আমেরিকা ছেড়ে অন্যত্র সরে পড়ার ধুম লেগেছে মার্কিনীদের মধ্যে! সপ্তাহখানেক হল মার্কিন মসনদে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। আর তার পর থেকেই এই প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। এই সংক্রান্ত কোনও নির্ভরযোগ্য তথ্য এখনও প্রকাশিত হয়নি বটে। তবে ‘দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস’ কিংবা ‘ইউএসএ টুডে’র মতো মার্কিন সংবাদমাধ্যমের নানা রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে। অনলাইনেও শুরু হয়েছে আলোচনা।

ব্যাপারটা সত্যিই অদ্ভুত। এমনিতে বাকি বিশ্বের চোখে আমেরিকা হল এক ‘সব পেয়েছির দেশ’। যেন এক স্বপ্নভূমি। বলা হয় মেধাবী মানুষদের কদর সব সময়ই রয়েছে আমেরিকায়। স্বাধীনচেতা মানুষরা এখানে স্বচ্ছন্দে থাকতে পারেন। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সেই দেশ ছেড়ে ইউরোপের নানা দেশ, কানাডা বা মেক্সিকোয় চলে যেতে চাইছেন বহু মার্কিন নাগরিক। গুগল সার্চ হিস্ট্রি তাই বলছে। এমন নয়, বাইডেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট থাকার সময় এই প্রবণতা ছিল না। ছিল, কিন্তু গত এক সপ্তাহে তা বৃদ্ধি পেয়েছে বহুলাংশে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কিন্তু কেন? আমেরিকানদের একটা অংশ, যাঁরা নিজেদের ‘লিবারাল’ বলে দাবি করেন, তাঁদের মতে ট্রাম্পের রাজত্বে তাঁদের কোনও স্থান থাকতে পারে না। অভিবাসীদের নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য কিংবা গর্ভপাত-বিরোধী অবস্থানের ‘প্রিজমে’ দেখে তাঁরা বর্ষীয়ান রিপাবলিকান নেতাকে এক বিভাজনকারী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবেই দেগে দিচ্ছেন। আর তাই আমেরিকা ছেড়ে অন্যত্র সরে পড়াই সমীচীন বলে মনে করছেন তাঁরা। বলে রাখা ভালো, ২০১৬ সালে যখন ট্রাম্প প্রথমবারের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট হন তখনও একই ট্রেন্ড লক্ষ করা গিয়েছিল। ট্রাম্পের সঙ্গে সঙ্গে ফিরেছে সেই ট্রেন্ডও। ফলে একদিকে যখন প্রয়োজনে ‘ডাঙ্কি রুট’ ধরেও ভারতীয়-সহ এশিয়ার অন্য দেশের নাগরিকরাও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্নে বিভোর হয়ে আমেরিকায় আসছেন বা আসতে চাইছেন, সেখানে বহু মার্কিনীই সুস্থির রাজনৈতিক পরিবেশ ও আরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগে ছাড়তে চাইছেন ‘এল ডোরাডো’ আমেরিকা। যেতে চাইছেন ‘অন্য কোথা, অন্য কোনওখানে’।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.