Advertisement
Advertisement
Mamata Banerjee

ভবানীপুরে প্রচারে সর্বধর্ম সমন্বয় ‘দিদি’র! লেডিজ পার্কে শিখ-মুসলিম-বিহারিদের সঙ্গে কথা মমতার

দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর 'মিনি ইন্ডিয়া' বলে পরিচিত। এখানে তাঁর বড় ব্যবধানে জয় নিয়ে সংশয়হীন বাসিন্দারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৫:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৫:০৯

options
link
ভবানীপুরে প্রচারে সর্বধর্ম সমন্বয় ‘দিদি’র! লেডিজ পার্কে শিখ-মুসলিম-বিহারিদের সঙ্গে কথা মমতার zoom
ভবানীপুরে অভিনব জনসংযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ছবি: পিণ্টু প্রধান

এ যেন ক্ষুদ্র ভারত! মুসলিম, খ্রিস্টান তো আছেনই, বিহারি, গুজরাটি, শিখ, সিন্ধ্রি, জৈন সম্প্রদায়ের বাসিন্দাদের স্থায়ী বসতি দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুরে। সকলে বলেন, ‘এটা মিনি ইন্ডিয়া।’ বরাবরের মতো এবারও এই কেন্দ্র থেকে বিধানসভা নির্বাচনে লড়ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। দ্বিতীয় দফায়, ২৯ এপ্রিল এখানে ভোট (West Bengal Assembly Election)। রাজ্যজুড়ে প্রচার সেরে এবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্রের প্রচারে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। রবিসন্ধ্যায় ভবানীপুরের লেডিজ পার্কে জনসংযোগ করতে গিয়ে সর্বধর্ম সমন্বয় করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যেক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বললেন, শুনলেন তাঁদের মতামত। আর ‘দিদি’র সঙ্গে এভাবে খোলাখুলি আলাপচারিতা করতে পেরে সকলের মুখে চওড়া হাসি। একবাক্যে তাঁরা বলছেন, ‘‘দিদির জয় নিয়ে কোনও সংশয় নেই। তাঁর সঙ্গে কথা বলে নতুন আশা দেখতে পেলাম। এত কাছে থেকে তো আগে দেখিনি। দারুণ মানুষ উনি!”

রবিবার থেকে ভবানীপুরের প্রচার শুরু করে বেশ অভিনবত্ব এনেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওইদিন লেডিজ পার্কে জনসংযোগ সারেন। তাঁকে দেখে অনেকে অনুযোগের সুরে বলেন, ‘‘দিদি, অনেকদিন আসেননি।” তার জবাবে মমতা জানান, ‘‘আপনারাও ব্যস্ত থাকেন নানা কাজে, আমি আর আপনাদের আর বিরক্ত করতে আসি না। ববি আসে।”

Mamata Banerjee campaigns at Ladies Park in Bhabanipur
ভবানীপুরের লেডিজ পার্কে প্রচার তৃণমূল প্রার্থীর। ছবি: পিণ্টু প্রধান

রবিবার থেকে ভবানীপুরের প্রচার শুরু করে বেশ অভিনবত্ব এনেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ওইদিন লেডিজ পার্কে জনসংযোগ সারেন। তাঁকে দেখে অনেকে অনুযোগের সুরে বলেন, ‘‘দিদি, অনেকদিন আসেননি।” তার জবাবে মমতা জানান, ‘‘আপনারাও ব্যস্ত থাকেন নানা কাজে, আমি আর আপনাদের আর বিরক্ত করতে আসি না। ববি আসে।” পাশাপাশি পাশের আবাসনগুলিতে ঢুকেও বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। গত ৫ বছরে তাঁর নিজের কাজের পারফরম্যান্স তুলে ধরেছেন, আরও কীভাবে উন্নত পরিষেবা দেওয়া যায়, ভোটারদের কাছে সেই মতামত জানতে চেয়েছেন। আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, কোনও কাজ অসম্পূর্ণ থাকলে কিংবা কোথাও ভুল বোঝাবুঝি হলে তার জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন দলনেত্রী।

Advertisement

এ প্রসঙ্গে তিনি রুফটপ রেস্তরাঁ বন্ধ নিয়েও কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপচারিতার সময়ে মমতা বলেন, “রুফটপ রেস্তরাঁ নিয়ে আপনারা আমায় ভুল বুঝেছিলেন। আমি কখনও চাইনি, আপনাদের ব্যবসার কোনও ক্ষতি হোক। আমি নিজে ১৪ তলায় বসি। ভূমিকম্প হলে ঘর কাঁপে। তখন কী পরিস্থিতি হয় সেটা বুঝি। তাই নিরাপত্তার খাতিরেই ববিকে (ফিরহাদ হাকিম) বলেছিলাম, নতুন করে প্ল্যান করতে। নির্দিষ্ট একটা নিয়ম করতে। আপনাদের কারও ব্যবসার ক্ষতি হোক আমি কখনও চাইনি। তেমন হয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।”

শেক্সপিয়র সরণির আবাসনে ঢুকে জনসংযোগ মমতার। ছবি: পিণ্টু প্রধান

ভবানীপুরের ভিমানি সমাজের সভানেত্রী মমতা সিং বলেন, ‘‘দিদি এখানে বিহারিদের জন্য অনেক কিছু করেছেন। তিনি জাত-ধর্ম দেখেন না, সবার জন্য কাজ করে যান। আর এত ভালো মানুষ! আমি খুব নিশ্চিত, এখানে বড় ব্যবধানে জিতবেন দিদি।” শিখ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি মনপ্রীত সিং সাধুর কথায়, ‘‘সেদিন তিনি আমাদের এখানে আসার পর আমি কথা বলে আপ্লুত। দিদি এসে তাঁর সঙ্গে থাকা কর্মীদের বের করে দেন। ব্যক্তিগতভাবে আমাদের সঙ্গে কথা বললেন। দারুণ কথাবার্তা হয়েছে। আমরা তাঁর জয়ের জন্য প্রার্থনা করি।” ৭৭ নং ওয়ার্ড অর্থাৎ লেডিজ পার্ক এলাকার কাউন্সিলর শামিম রেহানা খান বলছেন, ‘‘তাঁর (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) উপস্থিতিই একটা বড় বিষয়। তিনি সকলকে নতুন শক্তি দেন। আমি নিশ্চিত, তৃণমূল কর্মী, সমর্থকরা বাদেও এখানকার আমজনতা দিদিকে ভোট দেবেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.