এ বারের ভোট, বাংলার মানুষের অধিকার রক্ষার লড়াই! সেই কারণে এসআইআরে অনেক নাম কাটার পরও এত শতাংশ ভোট পড়েছে। চৌরঙ্গীর জনসভা থেকে এমনটাই হুঙ্কার তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। এসআইআর পরবর্তী ভোট প্রক্রিয়ায় রাজ্যে জুড়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এই বিপুল ভোট পড়া নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী জনসভা থেকে বলেন, “এসআইআরের পর সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তাঁরা জানেন এই ভোট, অধিকার রক্ষার লড়াই।”
এই বিষয়ে আরও খবর
চৌরঙ্গীতে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে সভা করেন। অন্যদিকে চলছে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে, রাজ্যজুড়ে প্রায় ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে মমতা বলেন, “এসআইআরে এত নাম বাদ যাওয়ার পর এত ভোট পড়ার কারণ, মানুষ জানে এই ভোট, অধিকার রক্ষার লড়াই। এরপর এনআরসি করার পরিকল্পনা করেছে ওরা (বিজেপি)।”
এরপরই মমতার মুখে শোনা যায় মহিলা আসন সংরক্ষণের কথা। তিনি বলেন, “ওরা (বিজেপি) আগামী নির্বাচনে হারবে। তাই মহিলা সংরক্ষণের আড়ালে আসন পুনর্বিন্যাসের করার চেষ্টা করেছিল। লোকসভার আসন ৫৪৩ থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ করতে চাইছিল। তা করতে দিইনি। মহিলা সংরক্ষণ নিয়ে আমরা সকলে ভোট দিয়েছিলাম।”
অন্যদিকে আজ, বৃহস্পতিবার প্রথম দফার নির্বাচন সার্বিকভাবে সুষ্ঠুভাবেই মিটেছে বলা যায়। বিক্ষিপ্তভাবে কিছু জায়গা থেকে ঝামেলার খবর এসেছে। একদম শেষবেলায় দুবরাজপুর বিধানসভার খয়রাশোল ব্লকের বুধপুর গ্রামের ৬৫ নম্বর বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বাধে জনতার। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের পিংলা বিধানসভার ৯ নম্বর বুথে দুপুর হতেই বুথ ফাঁকা করে সমস্ত কর্মীদের নিয়ে মধ্যহ্নভোজে যান প্রিসাইডিং অফিসার। এমনকী বুথে দেখা পাওয়া যায়নি সেক্টর অফিসারকেও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা ছাড়া সার্বিকভাবে শান্তিপূর্ণ ভাবেই ভোট শেষ হয়েছে প্রথম দফার নির্বাচন।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠছে মাটি, আতঙ্কের গ্রাসে দার্জিলিং-সহ উত্তর
-
টাকি পুরসভার ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল কাউন্সিলরের পদত্যাগ, জোর জল্পনা
-
অরূপ-স্বরূপের ‘রহস্যময় ঘরে’ তল্লাশি পুলিশের, উদ্ধার মোবাইল-আইপ্যাড, প্রচুর নথি!
-
কুলটিতে ‘ভয় আউট, ভরসা ইন’, মন্ত্রীর জনতার দরবারে ৫ বছরের সমস্যার সমাধান ২৪ ঘণ্টায়!
-
আলিপুরদুয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিয়ন রুমে কন্ডোম, নেশার সামগ্রী! শোরগোল শিক্ষাঙ্গনে
নিবেদিত






