Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬
Parenting Tips

খুদের এই অভ্যাসগুলি রয়েছে? আজই না বদলালে হতে পারে সর্বনাশ

ছোট পরিবারে বেড়ে ওঠার ফলে বহু শিশুই নাকি জেদি হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ১২:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০২৫, ১২:৪৪

options
link
খুদের এই অভ্যাসগুলি রয়েছে? আজই না বদলালে হতে পারে সর্বনাশ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একান্নবর্তী পরিবার এখন প্রায় অতীত। ছোট ছোট পরিবারে মা, বাবার সঙ্গে বর্তমানে বেড়ে উঠছে বেশিরভাগ খুদে। অতিরিক্ত নজর দেন বাবা-মায়েরা। তার ফলে বহু শিশুই নাকি জেদি হয়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন অনেকে। খুব ছোটবেলায় কিছু কুঅভ্যাসও তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘদিনের এই অভ্যাস তাদের ক্ষতি করছে। জেনে নিন অবিলম্বে আপনার খুদের কোন কোন অভ্যাস বদলানো প্রয়োজন।

১. বর্তমানে বেশিরভাগ শিশুই স্মার্টফোনে আকৃষ্ট। সুযোগ পেলে দিনরাত মোবাইল হাতে বসে থাকে তারা। তার ফলে চোখের যেমন ক্ষতি হচ্ছে তেমনই আবার বিভিন্ন ক্ষেত্রে কমছে দক্ষতা। কমছে ঘুম এবং ধৈর্যও। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব খুদের হাত থেকে মোবাইল দূরে সরান। তাকে স্মার্টফোন দেওয়া বন্ধ করুন।
২. আপনি কি খুদের সমস্ত দাবিদাওয়া মেনে নেন? উত্তর ‘হ্যাঁ’ হলে আজই বদলান। শিশুকে না পাওয়ার যন্ত্রণা অনুভব করতে দিন। সঙ্গে সঙ্গে যা চাইবে তা দেওয়া আজই বন্ধ করুন।
৩. শিশুকে নিজের দাবিদাওয়া স্পষ্ট করে বলতে দিন। নইলে কোনওদিন দৃপ্ত কণ্ঠে নিজের চাহিদার কথা বলতে পারবে না সে। কথা বলা শিখতেও সমস্যা হবে।
৪. শিশুকে সবসময় আগলে রাখা বন্ধ করুন। মাঝে মাঝে তাকে একা থাকতে দিন। স্বাধীনভাবে বেড়ে উঠতে দিন। নইলে কোনওদিন নিজের মতো করে বেড়ে উঠতে পারবে না সে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

Toddler৫. খাওয়া, ঘুমনোর জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দিন। নইলে নিয়মানুবর্তিতা তৈরি হবে না তার।
৬. শিশুর সব কাজ আপনি নিজে করে দেবেন না। ছোট ছোট কয়েকটি কাজ তাকে দিয়েই করান। যেমন – নিজের স্কুল ব্যাগ গোছানো, খাবার খাওয়া, খাওয়ার পর থালা তুলে নিয়ে যাওয়ার মতো সুঅভ্যাস গড়ে তুলুন।
৭. জোর করে খাওয়ানো বন্ধ করুন। খেতে না চাইলে ছেড়ে দিন।
৮. শিশুর আবেগকে অবহেলা করবেন না। কী বলছে, তা মন দিয়ে শুনুন। তার সঙ্গে কথা বলুন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.