তবে 'নীরব' মনমোহনও নিজের দীর্ঘ কর্মজীবনে এমন কিছু মন্তব্য করেছিলেন যা একই সঙ্গে তাঁর চারিত্রিক দৃঢ়তার প্রতীক এবং ইতিহাসের জীবন্ত দলিল।
৪৮
সালটা ২০১১। একের পর এক দুর্নীতিতে বিদ্ধ মনোমোহন সরকার। সংসদে তাঁকে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করছেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী সুষমা সরকার। সুষমাকে শায়েরিতে জবাব দিয়েছিলেন মনমোহন। তিনি সংসদে দাঁড়িয়ে বলেন, 'হাজারো জবাবো সে আচ্ছি হে মেরি খামোশি, না জানে কিতনে সওয়ালো কি আবরু রখি হ্যায়।'
৫৮
১৯৯১। আর্থিক উদারীকরণের সম্মুখে ভারত। সংসদে সেই বিল পেশের আগে মনমোহনের ঐতিহাসিক মন্তব্য, "সময়ের দাবিতে যে উদ্ভাবনী শক্তির জন্ম হয়, তাকে কোনও শক্তিই আটকে রাখতে পারে না।"
২০১৪। প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শেষ পর্যায়ে মনোমোহন সিং। বিরোধীরা তাঁকে দেশের দুর্বলতম প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেগে দিয়েছেন। সসময় সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বললেন, 'আমি বিশ্বাস করি আমি দুর্বল প্রধানমন্ত্রী নই। সমসাময়িক সংবাদমাধ্যম এবং বিরোধীদের থেকে ইতিহাস আমার প্রতি বেশি সদয় হবে'
৭৮
২০১৬ সালে নোটবন্দির প্রবল সমালোচনা করেছিলেন তিনি। নোটবন্দির ২ বছর পর এসে ফের বলেন, "সময় সব ঠিক করে। কিন্তু নোটবন্দির ক্ষত সময়ের সঙ্গে আরও গভীর হবে।" সেটা আজও প্রমাণিত।
৮৮
২০১১ সালে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রিত্বের মাঝপথে এসে তিনি আচমকই স্বীকার করেন, 'আমিই প্রথম ব্যক্তি হিসাবে মনে করি, আমাদের আরও ভালো কাজ করা উচিত ছিল।'
চলতি বছর ২৩ জুন আইনি মতে বিয়ে সেরেছেন। সোনাক্ষী-জাহিরের ভিনধর্মী বিয়ে পরবর্তী একমাস জুড়ে চর্চার শিরোনামে বিরাজ করেছে। মুসলিম পরিবারে বিয়ে করায় সোনাক্ষী সিনহাও (Sonakshi Sinha) নেটপাড়ার রোষানলে পড়েছিলেন। তবে নিন্দুক, নেটপাড়ার নীতিপুলিশদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ‘মিঞা-বিবি’ দিব্যি সুখের ঘরকন্না পেতেছেন।
২৭
বিয়ের বয়স ছয় মাস। তবে এখনও পুরোদস্তুর মধুচন্দ্রিমার রেশে সোনাক্ষী সিনহা, জাহির ইকবাল। বিয়ের পর থেকে কিছুতেই একে-অপরকে একমুহূর্তের জন্য কাছছাড়া করছেন না সোনাক্ষী-জাহির।
কখনও থাইল্যান্ড, কখনও বালি আবার কখনও বা ইটালি, প্যারিস সর্বত্র প্রায় চষে বেড়াচ্ছেন তারকাদম্পতি। আর সেসব ছবি রোজ সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তাঁদের সুখী দাম্পত্যযাপন তুলে ধরছেন সোনাক্ষী-জাহির।
৪৭
ক্রিসমাসের সময়টাও বেরিয়ে পড়েছেন দম্পতি। অস্ট্রেলিয়া, ক্যুইনসল্যান্ড, লিজার্ড আইল্যান্ড ঘুরে সেখানকার সব ফ্রেমবন্দি মুহূর্ত সোশাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিয়েছেন।
৫৭
সোনাক্ষী-জাহিরের খোলামেলা ছবিতে যে নেটপাড়ার তাপমাত্রা আরও বেড়েছে, তা বলাই বাহুল্য। কখনও শার্টলেস অবতারে দেখা গেল জাহিরকে। আবার কখনও বা ভেজা চুলে স্বামীর বুকে মাথা দিয়ে মাখোমাখো ছবি পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী।
সবমিলিয়ে দারুণ দাম্পত্য কাটাচ্ছেন সোনাক্ষী-জাহির। আর তাদের এই মুহুর্মুহু মধুচন্দ্রিমার মাঝেই একাধিকবার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর শোনা গিয়েছে।
৭৭
এক ক্লিনিকের বাইরে স্বামী জাহির ইকবালের (Zaheer Iqbal) সঙ্গে সোনাক্ষী সিনহাকে দেখা যায়। সেখান থেকেই অভিনেত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জনে সূত্রপাত নতুন করে। এবার কার্লি টেলস-এর সঙ্গে কথোপকথনে সোনাক্ষী জানালেন, “হ্যাঁ, ভাই…! এই তো সেদিন জাহিরকে কে একটা শুভেচ্ছাও জানিয়ে দিল।” (ছবি- ইনস্টাগ্রাম)
বড়দিন উপলক্ষে সকাল থেকেই উৎসবের মেজাজে গোটা রাজ্য। কলকাতাতেও রাস্তায় নেমে পড়েছেন উৎসাহী মানুষজন। ভিক্টোরিয়া, চিড়িয়াখানা, ময়দানে ভিড় করেন আট থেকে আশি। নিজস্ব চিত্র
২১১
কলকাতাই শুধু নয়। দূরদূরান্ত থেকে অনেকেই বিড়লা তারামণ্ডল, ভিক্টোরিয়া, যাদুঘর-সহ অন্যান্য জায়গায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। এবারের বড়দিন ১০ বছরের উষ্ণতম দিন। তেমন শীত না থাকলে কী হবে, ভরপুর উৎসাহ দিনভর দেখা গেল সাধারণ মানুষের মধ্যে। নিজস্ব চিত্র