একেবারে বাঙালির পুজোর বেশে সেজেছিলেন মনু। পরনে ছিল লাল পাড় সাদা শাড়ি। তাও আবার আটপৌঢ়ে কায়দায়।
৪৮
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাড়ে ৭ গ্রাম ওজনের বিশ্ব বাংলা পেনডেন্ট চেন-সহ উপহার পাঠিয়ে রাজ্যের দমকল মন্ত্রী সুজিত বসুর মাধ্যমে মনুকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
শুরু করলেন ভবানীপুর শীতলা মন্দিরের দুর্গাপুজো থেকে, শেষ করলেন শেষ করলেন ত্রিধারা সম্মিলনীতে। মাতৃপক্ষের সূচনার পর দ্বিতীয়াতে শহরের ১১টি পুজো উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
২৭
শুক্রবার বিকেল ৪টে নাগাদ বাড়ি থেকে বেরিয়ে ভবানিপুর শীতলা মন্দিরের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী। দুধারে মানুষের ভিড়ের মাঝেই মণ্ডপে গিয়ে পুজো উদ্বোধন করেন।
সেখান থেকে মুখ্যমন্ত্রী রওনা দেন একডালিয়া এভারগ্রিন। প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের নামের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে এই পুজো। তাঁকে স্মরণ করে তাঁর স্ত্রী ছন্দবাণী মুখোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে পুজো উদ্বোধন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
৪৭
সেখান থেকে বেরিয়ে মুখ্যমন্ত্রী একে একে উদ্বোধন করেন সিংহী পার্ক, বালিগঞ্জ কালচারালে, সমাজসেবী সংঘের পুজো। পায়ে হেঁটে একের পর এক পুজো উদ্বোধন করতে থাকা মুখ্যমন্ত্রীকে দেখতে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
৫৭
এর পর হিন্দুস্থান পার্কে গিয়ে স্তোত্রপাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকে শিব মন্দির, মুদিয়ালি, ৬৬ পল্লি ও বাদামতলা আষাঢ় সংঘের পুজোর উদ্বোধন সারেন তিনি।
বাদামতলা আষাঢ় সংঘের পর মুখ্যমন্ত্রীর গন্তব্য ছিল ত্রিধারা সম্মিলনী। মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের পুজো হিসেবে পরিচিত ত্রিধারা।
৭৭
কলকাতার পাশাপাশি বাত্য ছিল না জেলার পুজোও। ভার্চুয়ালি প্রায় জেলার প্রায় ৪০০ পুজোর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এই সময়ে জেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও খোঁজ খবর করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।