Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Swpnil Kusale

জীবনের প্রথম অলিম্পিকেই ব্রোঞ্জ, ‘মাথা ঠান্ডা রেখেই সাফল্য’ ইতিহাস গড়ে বললেন স্বপ্নিল

শুটার জানালেন, ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিটি শট মেরেছেন। তাতেই মিলেছে সাফল্য। চোখের সামনে শিষ্যের সাফল্য দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি গগন নারাং। কথা বলতে গিয়ে আবেগে বুজে এসেছে ভারতের শেফ দ্য মিশনের গলা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৪, ১৭:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১, ২০২৪, ১৭:১৩

options
link
জীবনের প্রথম অলিম্পিকেই ব্রোঞ্জ, ‘মাথা ঠান্ডা রেখেই সাফল্য’ ইতিহাস গড়ে বললেন স্বপ্নিল zoom
ফাইল ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জীবনের প্রথম অলিম্পিকে নেমেই পদক। ইতিহাস গড়েছেন মহারাষ্ট্রের শুটার স্বপ্নিল কুসলে (Swpnil Kusale )। পিছিয়ে পড়েও দুরন্ত কামব্যাক করে জিতে নিয়েছেন ব্রোঞ্জ। তার পরে ভারতীয় শুটার জানালেন, ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিটি শট মেরেছেন। তাতেই মিলেছে সাফল্য। চোখের সামনে শিষ্যের সাফল্য দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি গগন নারাং। কথা বলতে গিয়ে আবেগে বুজে এসেছে ভারতের শেফ দ্য মিশনের গলা।  

বৃহস্পতিবার চলতি অলিম্পিকের (Paris Olympics 2024) তৃতীয় পদক এল ভারতে। শুটিংয়ে ফের ব্রোঞ্জ এল দেশে। স্বপ্ন দেখিয়ে ব্রোঞ্জ জিতলেন মহারাষ্ট্রের স্বপ্নিল সিং। ফাইনালের শুরু থেকে খানিকটা পিছিয়ে ছিলেন। নিলিং এবং প্রুনিং রাউন্ডে তিনি ছিলেন ৬ নম্বরে। তবে শেষ দুই রাউন্ডে এসে দুরন্ত কামব্যাক করেন ভারতীয় শুটার। একটা সময়ে সোনার পদক জয়ের লড়াইয়েও ছিলেন তিনি। মাত্র ০.৪ পয়েন্টে রুপো হাতছাড়া হল স্বপ্নিলের।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আরও দুবছর সবুজ-মেরুনে সোনার বল জয়ী পেত্রাতোস, সই করে বললেন, ‘জয় মোহনবাগান’]

অলিম্পিকে নামলেও রেলের টিকিট চেকার হিসাবে কর্মরত মহারাষ্ট্রের এই শুটার। ফাইনালে উঠেই তিনি বলেছিলেন, মহেন্দ্র সিং ধোনির বায়োপিক বহুবার দেখেছেন। ক্যাপ্টেন কুলের মতোই শুটিং রেঞ্জে মাথা ঠান্ডা রাখতে পছন্দ করেন। সেই মাহিমন্ত্রেই পদক জিতেছেন স্বপ্নিল। ইতিহাস গড়ার পরে বলেন, “প্রথমে খানিকটা পিছিয়ে পড়েছিলাম ঠিকই। কিন্তু তার পরে মাথা ঠান্ডা রেখে প্রতিটা শট খুব মন দিয়ে মেরেছি। তাতেই সাফল্য এসেছে।”

ভারতীয় শুটারদের এমন দুরন্ত পারফরম্যান্স দেখে আবেগাপ্লুত গগন নারাং। চলতি অলিম্পিকে ভারতের শেফ দ্য মিশন নিজেও ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। বৃহস্পতিবার স্বপ্নিল ব্রোঞ্জ জেতার পর তিনি কেঁদে ফেলেন। শুটাররা আরও সাফল্য পাবে এবং সেই দেখে গোটা ভারতীয় কনটিনজেন্ট উৎসাহিত হবে, এমনটাই আশা গগনের। 

[আরও পড়ুন: আর্থিক ক্ষতি কমল আইএফএ’র, সব ক্লাবের ভোটাধিকার চেয়ে মামলা হাই কোর্টে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.