Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
Vaishali Rameshbabu

বিশ্ব ব্লিদজ চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জজয় ভারতীয় দাবাড়ু বৈশালীর, উচ্ছ্বসিত প্রশংসা আনন্দের

ওপেন ব্লিদজ চ্যাম্পিয়নশিপে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হলেন ম্যাগনাস কার্লসেন ও ইয়ান নেপোমনিয়াচি। যা নজিরবিহীন ঘটনা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৫, ১৬:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১, ২০২৫, ১৬:১৩

options
link
বিশ্ব ব্লিদজ চ্যাম্পিয়নশিপে ব্রোঞ্জজয় ভারতীয় দাবাড়ু বৈশালীর, উচ্ছ্বসিত প্রশংসা আনন্দের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল্ক ডেস্ক: বিশ্ব ব্লিদজ দাবায় ব্রোঞ্জ নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হল ভারতের বৈশালী রমেশবাবুকে। সেমিফাইনালে তিনি চিনের জু ওয়েনজুনের কাছে ০.৫-২.৫ ব্যবধানে হেরে গেলেন তিনি। ব্রোঞ্জ পেলেও কিংবদন্তি দাবাড়ু বিশ্বনাথন আনন্দের প্রশংসা পেলেন বৈশালী।

কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন চিনের জু জিনার। সেখানে বৈশালী জিতেছিলেন ২.৫-১.৫ ব্যবধানে। কিন্তু পরাস্ত হতে হল সেমিফাইনালে। সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েনজুন চ্যাম্পিয়নও হন। যদিও বৈশালীর ব্রোঞ্জজয়ে উচ্ছ্বসিত বিশ্বনাথন আনন্দ। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘ব্রোঞ্জজয়ের জন্য বৈশালীকে অভিনন্দন জানাই। তাঁর পারফরম্যান্স শক্তিতে ভরপুর ছিল। আমাদের অ্যাকাডেমি ওয়াকার গর্ব বাড়ালে তুমি।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সেই সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা খুব খুশি ওকে দাবায় সাহায্য করতে পেরেছি। এভাবেই তো ২০২৪ সাল শেষ করতে হয়। ২০২১-এ আমরা ভেবেছিলাম শক্তিশালী দাবাড়ু তৈরি করব। কিন্তু এখন আমরা একজন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন (কোনেরু হাম্পি) ও ব্রোঞ্জজয়ী (বৈশালী) পেয়েছি।’ উল্লেখ্য, নিউ ইয়র্কে বিশ্ব র‍্যাপিড চ্যাম্পিয়নশিপের মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ভারতের দাবাড়ু কোনেরু হাম্পি। এই নিয়ে দু’বার এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলেন হাম্পি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

তবে ওপেন ব্লিদজ চ্যাম্পিয়নশিপে ঘটল নজিরবিহীন ঘটনা। ম্যাগনাস কার্লসেন ও ইয়ান নেপোমনিয়াচির ম্যাচ নির্ধারিত সময়ের পরও দীর্ঘক্ষণ চলে। অবশেষে দুজনকেই যুগ্মবিজয়ী ঘোষণা করা হয়। প্রথমে কার্লসেনই ট্রফি ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তাব দেন। নেপোমনিয়াচিও তাতে সম্মতি জানান। শেষ পর্যন্ত ফিড রাজি হলে নজিরবিহীন ঘটনা ঘটে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.