Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Offbeat News

ছোট্ট মাথায় বড় কাজ! কম সময়ে কম্পিউটার গেম তৈরি, ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ কালিয়াগঞ্জের খুদে

২ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডে ভিস্যুয়াল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ভিত্তিক কম্পিউটার গেম তৈরি করে ফেলেছে অর্চক দাস।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৫, ১৬:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৫, ১৬:১৬

options
link
ছোট্ট মাথায় বড় কাজ! কম সময়ে কম্পিউটার গেম তৈরি, ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ কালিয়াগঞ্জের খুদে zoom

শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: মাত্র দু’মিনিট ৫৬ সেকেন্ড। এই স্বল্প সময়ের মধ্যে কম্পিউটারে জাম্পিং গেম তৈরি করে ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এ নিজের নাম তুলে তাক লাগিয়ে দিল কালিয়াগঞ্জের খুদে অর্চক দাস। উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের স্কুলপাড়ার বাসিন্দা অর্চক। সপ্রতিভ এই খুদে পড়ুয়ার সাফল্যকে স্বীকৃতি দিয়েছে দিল্লির ‘ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস’-এর। বৃহস্পতিবার কালিয়াগঞ্জের একটি বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষক অরুণাভ সেন বলেন, “২ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডে কম্পিউটারে ভিস্যুয়াল প্রোগ্রাম তৈরির রেকর্ড ভেঙে ২ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডে জাম্পিং গেম তৈরির রেকর্ড এখন কালিয়াগঞ্জের ৯ বছর ৮ মাস বয়সি প্রতিভাবান অর্চকের হাতের মুঠোয়! এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে কম সময়ের মধ্যে জাম্পিং গেম তৈরির নজির গড়ে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে নিজের নাম নথিভুক্ত করল।”

কালিয়াগঞ্জ শহরের স্কুলপাড়ার বাসিন্দা অর্চকের বাবা নিরঞ্জন দাস পেশায় ব্যবসায়ী, মা সন্তোষী দাস সাহা গৃহবধূ। প্রতিভাবান অর্চকের এই সাফল্যে ভীষণ আনন্দিত তার স্কুলের সহপাঠী, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও আত্ময়ীস্বজনরা। এদিন নিরঞ্জন দাস ছেলের কৃতিত্বের কথা জানিয়ে বলেন, “অর্চক গত মার্চ মাসে ২ মিনিট ৫৬ সেকেন্ড সময়ে স্ক্র্যাচ অর্থাৎ ভিস্যুয়াল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ভিত্তিক কম্পিউটার গেম তৈরি করতে সফল হয়। এই সাফল্যকে স্বীকৃতি প্রদান করতে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়ছিল। গেম তৈরি করে অনলাইনে মার্চে দিল্লিতে পাঠানো হয়েছিল। তারপর বুধবার স্বীকৃতি হিসাবে শংসাপত্র-সহ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

রেকর্ড কম সময়ে কম্পিউটার গেম তৈরির বিরল কৃতিত্ব অর্জন করে ৯ বছরের ছাত্র অর্চকের কথায়, “স্কুলের শিক্ষকদের মাধ্যমে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে আবেদন করা হয়েছিল। কম্পিউটারে গেম তৈরি করে পাঠানো হয়েছিল।” শেষপর্যন্ত অর্চকের বিরল কাজকে স্বীকৃতি দিল সংস্থা। ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে তার নাম তালিকাভুক্ত হওয়ায় কালিয়াগঞ্জে স্মরণীয় হয়ে থাকল খুদে ছাত্র।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.