Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

টিকিট না পেয়ে কান্নাকাটি! প্রার্থী হওয়ার আশায় কংগ্রেসে যোগ কোচবিহারের তৃণমূল নেতার

রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ঘনিষ্ঠ নেতা খোকন মিঞা তৃণমূলের জন্ম থেকেই ছিলেন দলের সঙ্গে, সামলেছেন সংগঠনের একাধিক পদ।

Advertisement
বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৮:৩০

link
বিক্রম রায়
বিক্রম রায়

শেষ আপডেট: মার্চ ২১, ২০২৬, ১৮:৩০

options
link
টিকিট না পেয়ে কান্নাকাটি! প্রার্থী হওয়ার আশায় কংগ্রেসে যোগ কোচবিহারের তৃণমূল নেতার zoom
ভোটে টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসে যোগ দিলেন কোচবিহারের তৃণমূল নেতা খোকন মিঞা। ছবি: বিশ্বদীপ সাহা

বিন্দুমাত্র দ্বন্দ্ব নয়, এক হয়ে ছাব্বিশের নির্বাচনী যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে সবাইকে – সংগঠনের নেতা, কর্মীদের উদ্দেশে বারবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বার্তার পরও উত্তরবঙ্গে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাঁটা ওপড়ানো যাচ্ছে না। টিকিট না পেয়ে ভোটের মুখে কান্নাকাটি করে দলত্যাগ করলেন কোচবিহারে দীর্ঘদিন তৃণমূলের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত নেতা খোকন মিঞা। শনিবার তিনি জেলা কংগ্রেসের কার্যালয়ে গিয়ে যোগ দিলেন ‘হাত’ শিবিরে। আসন্ন ভোটে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে তাঁর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা। তবে তার আগেই চ্যালেঞ্জের সুরে খোকন মিঞা জানালেন, কোচবিহারের ৯টির মধ্যে ৯টি আসনে জেতাই লক্ষ্য। খোকন মিঞা কংগ্রেস প্রার্থী হলে তাঁর মূল প্রতিপক্ষ হবেন তৃণমূলের অভিজিৎ দে ভৌমিক।

উত্তরবঙ্গ থেকে সংগঠন করে উঠে আসা প্রাক্তন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ যেমন তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে দলের সঙ্গে, তেমনই আরেকজন খোকন মিঞা। তাঁর সঙ্গেই বরাবর দলের কাজ করেছেন তিনি। রবীন্দ্রনাথ ঘোষ যখন তৃণমূলের জেলা সভাপতি ছিলেন, সেসময় কোচবিহার ১ নং ব্লকের সভাপতির দায়িত্ব সামলেছেন খোকন। ২০২১ সালে উত্তরবঙ্গে দলের খারাপ ফলাফলের পর পদচ্যুত হতে হয় রবীন্দ্রনাথকে। তবে খোকন মিঞার উপর ভরসা রেখে কোনও না কোনও দায়িত্ব তাঁকে দিয়েছে দল। এই মুহূর্তে তিনি কোচবিহারে দলের খেতমজুর সংগঠনের সভাপতি। বড় আশা ছিল, ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূল তাঁকে সৈনিক হিসেবে এগিয়ে দেবে নির্বাচনী ময়দানে। কিন্তু আশাভঙ্গ হওয়ায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন খোকন মিঞা। শেষমেশ নিজেকে সামলে কংগ্রেসে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আর ভাবামাত্রই কাজ। শনিবার দুপুরে জেলার কংগ্রেস কার্যালয়ে গিয়ে পতাকা হাতে দলে যোগ দিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কার্যত বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন। তাঁর কথায়, ‘দিদি’কে যেভাবে দেখেছিলেন, এখন তার সঙ্গে পার্থক্য দেখতে পান। খোকন মিঞার প্রশ্ন, দলটা কি কর্পোরেট হাউসের কাছে বিক্রি হয়ে গিয়েছে যে পুরনোদের বাদ দিয়ে একঘণ্টা আগে লোককে দলে যোগদান করিয়ে তাঁকেই প্রার্থী করতে হবে? কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রে কংগ্রেস তাঁকে প্রার্থী করবে বলে আশা খোকনের। তাঁর এভাবে রাতারাতি দলবদল নিয়ে কড়া সমালোচনা করলেও জেলা তৃণমূলের সভাপতি আবদুল জলিল আহমেদের বক্তব্য, ক্ষোভ-বিক্ষোভ থাকতেই পারে কারও। তা দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে মিটিয়ে ফেলাটাই বুদ্ধিমানের কাজ, দলত্যাগ করাটা নয়। ‘দলবদলু’ খোকন মিঞাকে আবারও তৃণমূলে ফেরাতে পারবেন বলে আশাপ্রকাশ করছেন জেলা সভাপতি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.