Advertisement
Advertisement
WB Assembly Election 2026

পরনে উর্দি, হাতে অটোমেটিক রাইফেল! পোস্ট বিতর্কে সাসপেন্ড কালীঘাট থানার ওসি

হাতে বন্দুক নিয়ে ছবি পোস্ট করে বিতর্কে কালীঘাট থানার ওসি। তৃণমূলের অভিযোগের পরই ওসি গৌতম দাসকে সরাল লালবাজার। তার জায়গায় কালীঘাট থানার নতুন ওসি হলেন চামেলি মুখোপাধ্যায়। উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি ছিলেন তিনি।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৬:০৫

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৬:০৫

options
link
পরনে উর্দি, হাতে অটোমেটিক রাইফেল! পোস্ট বিতর্কে সাসপেন্ড কালীঘাট থানার ওসি zoom
বিতর্কিত ছবি পোস্ট, সাসপেন্ড কালীঘাট থানার ওসি।

সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট বিতর্কে এবার সাসপেন্ড কালীঘাট থানার ওসি গৌতম দাস। তার জায়গায় দায়িত্ব পেলেন চামেলি মুখোপাধ্যায়। কালীঘাট থানা ওসি গৌতম দাসের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাস ‘আপত্তিকর’ বলে কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার এক্স হ্যান্ডেল কালীঘাট থানার ওসির বন্দুক হাতে ধরা ছবি পোস্ট করে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পুলিশের সার্ভিস রুল ভাঙার অভিযোগে তাঁকে সরাল লালবাজার।

তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ও রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়ালকে বিষয়টি জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দকেও বিষয়টি জানানো হয়েছে। জয়প্রকাশের অভিযোগ, কালীঘাট থানার বর্তমান ওসি গৌতম দাস নিজের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে একটি ছবি পোস্ট করেছেন, যেখানে পুলিশের উর্দি গায়েই নিজের চেয়ার বসে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে বসে আছেন তিনি। সেই ছবির ক্যাপশনে লেখা, ‘নতুন দায়িত্বের জন্য প্রস্তুত’। (যদিও ছবির সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন)।

Advertisement

জয়প্রকাশ মজুমদারের মতে, ‘এই ছবি শুধু অস্বস্তিকর নয়, আইনের চোখেও তা যথেষ্ট আপত্তিকর। এই ছবিতেই স্পষ্ট তিনি অত্যাধুনিক বন্দুক দেখিয়ে কাউকে নিশানা করছেন।’ এক্স পোস্টে তিনি আরও লিখেছেন, ‘কর্তব্যরত কোনও পুলিশকর্তাই উর্দি পরা অবস্থায় নিজের ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করতে পারেন না। সেটি কলকাতা পুলিশের সমাজমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকাতেই উল্লেখ আছে। পাশাপাশি ভারত সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী, হুমকি বা উস্কানিমূলক কোনও ধরনের ক্যাপশন বা ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা নিষিদ্ধ।’ তারপরেও কীভাবে কালীঘাট থানার ওসি এই ‘বিতর্কিত’ ছবি পোস্ট করলেন? প্রশ্ন তোলেন তৃণমূল নেতা।

এক্স হ্যান্ডেলে তৃণমূল নেতা লেখেন, ‘এ ধরনের পোস্ট সাধারণ মানুষের জন্য হুমকি।’ কালীঘাট থানার ওসির হাতে যে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যাচ্ছে, সেটি আদৌ তাঁর জন্য বরাদ্দ কি না বা এই আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারে তিনি প্রশিক্ষিত কিনা, তা নিয়েও এক্স মাধ্যমে প্রশ্ন জয়প্রকাশ মজুমদারের। ‘আপত্তিকর ও আইন ভঙ্গকারী কাজের’ তদন্তে করে শাস্তির দাবিতে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপের দাবি করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, দ্বিতীয় দফার ভোটের (WB Assembly Election 2026) মুখেই কালীঘাট থানার ওসি বদলে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। যদিও ২৯ মার্চ কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের উৎপল ঘোষকে কালীঘাট থানার ওসি করে আনা হয়েছিল। তার একমাসের মধ্যেই উৎপল ঘোষকে সরিয়ে নতুন ওসি হিসেবে আনা হয়েছিল গৌতমকে। এবার সেই ওসি বিতর্কিত পোস্ট ঘিরেই রাজ্য রাজনীতির অন্দরে চাপানউতোর। ভোটের ফল প্রকাশের আগেই ফের কালীঘাট থানার ওসি বদল হল। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.