হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে ঝগড়া লাগানোই হল বিজেপির কাজ, চাপদানিতে তৃণমূলের হয়ে প্রচারে এসে এভাবেই গেরুয়া শিবিরকে তোপ দাগলেন বিহারের প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব। রবিবার তিনি জানান, পড়াশোনার ব্যবস্থা করা, ওষুধের ব্যবস্থা করা, রোজগারের ব্যবস্থা করা, সবাই যাতে মিলেমিশে থাকে সেই ব্যবস্থা করা সরকারের কাজ। কিন্তু বিজেপির কাজ হল, বিদ্বেষ ছড়ানো ও হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে ঝগড়া লাগানো।
এই বিষয়ে আরও খবর
২৯ এপ্রিল রাজ্যে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) রয়েছে। তার আগে শেষ রবিবারের প্রচারে ঝাপিয়ে পড়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা। এদিন চাপদানি বিধানসভার তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অরিন্দম গুইনের সমর্থনে জোড়া মন্দির মাঠে সভা করতে আসেন তেজস্বী। সেখান থেকে বিজেপিকে তোপ দাগেন তিনি। তেজস্বী বলেন, “বিজেপি মাছ খাওয়ার বিরোধিতা করছে। সব থেকে বড় অভিনেতা হলেন মোদি। ছবি তোলানোর জন্য গঙ্গাভ্রমণ করছেন। মোদিজি সবচেয়ে বেশি মিথ্যা কথা বলেন। যেখানে নির্বাচন হয় সেখানে গিয়ে বিজেপির নেতারা অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কথা বলেন। ওঁরা শুধু মিথ্যা কথার রাজনীতি করেন। ওঁদের ভাষা খুবই জঘন্য। বলছেন, ৪ তারিখ তৃণমূলের লোকজনকে উলটো করে ঝুলিয়ে দেবে।”
তিনি আরও জানান, পশ্চিমবঙ্গকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কাজ করেছেন। বাংলার মানুষ তা দেখেছেন। কারণ বাংলার মানুষ খুবই বুদ্ধিমান। কেন্দ্রীয় এজেন্সি, নির্বাচন কমিশন, গোটা কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এমনকী বেশ কিছু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে মমতাকে হারানোর জন্য লড়াই করছে বিজেপি। তাঁর কথায়, “বিজেপি বলছে ‘দিদিকে হঁটাও’। কিন্তু দিদি যা উন্নয়ন করেছে বাংলা থেকে দিদিকে কেউ সরাতে পারবে না। এখান থেকে আবার দিদি জিতবে ২০২৯-এ আমরা কেন্দ্র থেকে মোদিকে সরিয়ে দেব।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
ভাবতেও পারেনি রাশিয়া, ইউক্রেনের আঘাতে মস্কোয় কালো বৃষ্টি! আতঙ্ক শহরজুড়ে
-
স্কুটারের গতির সঙ্গে পাল্লা দিতেন ভিনি! ‘পাড়ার ছেলে’র হাতে বিশ্বকাপ দেখতে মুখিয়ে পড়শিরা
-
যোগ দিবসের কর্মসূচিতে সরকারি কর্মীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়, আদালতে জানাল রাজ্য
-
বছরের পর বছর রাস্তা বন্ধ করে ২১ জুলাইয়ের সভা, মমতা-অভিষেককে অবমাননা নোটিস হাই কোর্টের
-
সোশাল মিডিয়া থেকে ছাদনাতলায়, গাটছড়া বাঁধলেন মূক-বধির যুগল
নিবেদিত






