Advertisement
Advertisement
বঙ্গে পালাবদল
Suvendu Adhikari

মেদিনীপুরের মাটি থেকে মহাকরণে! বাংলার কুর্সির যোগ্য ‘অধিকারী’ শুভেন্দুই

West Bengal’s Chief Minister: ২০২০ সালের নির্বাচনের আগে মতবিরোধের জেরে তৃণমূল ছাড়েন শুভেন্দু। ২১-এর বিধানসভায় বিজেপি জিততে না পারলেও, নন্দীগ্রামে নিজের প্রাক্তন নেত্রীকে পরাজিত করেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার আসনে বসেন। ছাব্বিশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে জেতার পাশাপাশি ভবানীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ১৯:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ১৯:১১

options
link
মেদিনীপুরের মাটি থেকে মহাকরণে! বাংলার কুর্সির যোগ্য ‘অধিকারী’ শুভেন্দুই zoom

কাউন্সিলর থেকে মুখ্যমন্ত্রী! মেদিনীপুরের মাটি থেকে মহাকরণের পথে। রাজ্য প্রশাসনের তৃণমূল স্তর থেকে শীর্ষাসনে বসতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari )।

ছাত্রাবস্থায় রাজনীতে হাতেখড়ি। কাঁথির প্রভাতকুমার কলেজের কংগ্রেস ছাত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক। তারপর তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ। কাঁথি পুরসভার কাউন্সিলর থেকে চেয়ারম্যান। আর ফিরে তাকাতে হয়নি। বিধায়ক, সাংসদ। মমতার মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হওয়ার পর তাঁকে হারিয়েই আজ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement

২০০৬ সালে কাঁথি দক্ষিণ থেকে প্রথমবার বিধায়ক হন শিশিরপুত্র। ২০০৭-০৮ সালে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সময় অধিকারীর পরিবার মমতার হাত আরও শক্ত করেছিল। সেই জমি অধিগ্রহণ বিরোধী আন্দোলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে অন্যতম মুখ ছিলেন শুভেন্দু। অন্যতম সংগঠক হিসাবে কাজ করেন তিনি। কে জানত ১৮ বছর পর অন্য প্রেক্ষাপট তৈরি করবেন তিনি? তাও আবার একসময়ের নিজের ‘জননেত্রী’কে হারিয়ে।

বিধায়ক হওয়ার পর ২০০৯ সালে শুভেন্দু তমলুক থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। ২০১৬ সাল পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ হিসাবে ছিলেন। তারপর পদত্যাগ করে। ২০১৬ সালে মমতার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার পরিবহন, সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী হন।

২০২০ সালের নির্বাচনের আগে মতবিরোধের জেরে তৃণমূল ছাড়েন শুভেন্দু। রাজনৈতিক মহলের মত, মতবিরোধ তো শব্দমাত্র। শুভেন্দুর দল ছাড়ার আসল কারণ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের অন্দরে শুভেন্দুকে সরিয়ে অভিষেককে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা, বঙ্গজুড়ে তৃণমূলের বিস্তারে নিজেকে নিয়োজিত করা শুভেন্দু মেনে নিতে পারেননি।

দীর্ঘ এই সময়কালে মমতার ঘনিষ্ঠ তো বটেই, বিশ্বস্তও ছিলেন শুভেন্দু। ২০১১ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় থাকলেও ২০১৬ সালেও বিভিন্ন জেলায় ঘাসফুল ফোটাতে বেগ পেতে হয়েছিল। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ, মালদহে। সেই জেলাগুলি তৃণমূলের গড়ে পরিণত করার গুরু দায়িত্ব বর্তায় শুভেন্দুর উপরই। সেই মুর্শিদাবাদে তৃণমূলের ভোটে ফাটল ধরিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসতে চলছেন শুভেন্দু।

২০২০ সালের নির্বাচনের আগে মতবিরোধের জেরে তৃণমূল ছাড়েন শুভেন্দু। রাজনৈতিক মহলের মত, মতবিরোধ তো শব্দমাত্র। শুভেন্দুর দল ছাড়ার আসল কারণ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের অন্দরে শুভেন্দুকে সরিয়ে অভিষেককে গুরুত্ব দেওয়ার চেষ্টা, বঙ্গজুড়ে তৃণমূলের বিস্তারে নিজেকে নিয়োজিত করা শুভেন্দু মেনে নিতে পারেননি।

২১-এর বিধানসভায় বিজেপি জিততে না পারলেও, নন্দীগ্রামে নিজের প্রাক্তন নেত্রী মমতাকে পরাজিত করেন শুভেন্দু। বিরোধী দলনেতার আসনে বসেন। ছাব্বিশের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে জেতার পাশাপাশি ভবানীপুরে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারান।

ছাব্বিশের নির্বাচনী যুদ্ধে ২০৭ আসন নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। বিপুল জনমত পাওয়ার পর আজ, শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলায় বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (West Bengal’s Chief Minister) হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছেন। পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচন করা হয়েছে তাঁকে। আগামিকাল ব্রিগেড ময়দানে শপথ নেবেন শুভেন্দু অধিকারী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.