Advertisement
Advertisement
Riddhi Sen

ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে! ‘বিভেদের রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোট দিন’, বার্তা ঋদ্ধির

ধর্মের নিশান উড়িয়ে ব্যালটবাক্সে প্রভাব ফেলার সেই স্ট্র্যাটেজির বিরুদ্ধেই এবার আওয়াজ তুললেন অভিনেতা। আমজনতাকে সচেতনভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের বার্তা ঋদ্ধি সেনের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১২:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ১২:৫২

options
link
ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে! ‘বিভেদের রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোট দিন’, বার্তা ঋদ্ধির zoom
ভোট পরবর্তী হিংসায় বঙ্গবাসীকে সুনাগরিক হওয়ার পাঠ ঋদ্ধি সেনের

বুধবার বিধানসভা নির্বাচনের শেষ তথা দ্বিতীয় দফার ভোট (WB Assembly Election 2026)। রাজ্যে প্রথম দফার পর ‘পাখির চোখ’ ছিল ২৯ এপ্রিলের ভোটমহারণের দিকে। আজ সাত জেলার ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ। সকাল থেকেই বুথে বুথে লম্বা লাইন। এমন আবহে আমজনতাকে সচেতনভাবে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের বার্তা দিলেন ঋদ্ধি সেন (Riddhi Sen)।

বিগত কয়েক বছরে একাধিকবার বাংলার সংস্কৃতিমহল ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব হয়ে গেরুয়া শিবিরকে কাঠগড়ায় তুলেছে। সেই তালিকায় ঋদ্ধি সেনও রয়েছেন। ধর্মের নিশান উড়িয়ে ব্যালটবাক্সে প্রভাব ফেলার সেই স্ট্র্যাটেজির বিরুদ্ধেই এবার আওয়াজ তুললেন অভিনেতা।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্ধৃতি ধার করেই বাংলার জনগণকে সরকার নির্বাচনের বার্তা দিয়েছেন জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা। মঙ্গলবার রাত থেকে যখন বাংলার সাত জেলায় ‘ভোট-মহালয়া’র আবহ, তখন ঋদ্ধি বলছেন, “ধর্মের বেশে মোহ যারে এসে ধরে/ অন্ধ সে জন মারে আর শুধু মরে…। ঘৃণা ও বিভেদ সৃষ্টিকারী রাজনীতির বিরুদ্ধে ভোট দিন।” অভিনেতার পোস্টেই স্পষ্ট কোন রাজনৈতিক দলকে বিঁধেছেন তিনি। বিগত কয়েক বছরে একাধিকবার বাংলার সংস্কৃতিমহল ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতির বিরুদ্ধে সরব হয়ে গেরুয়া শিবিরকে কাঠগড়ায় তুলেছে। সেই তালিকায় ঋদ্ধি সেনও রয়েছেন। ধর্মের নিশান উড়িয়ে ব্যালটবাক্সে প্রভাব ফেলার সেই স্ট্র্যাটেজির বিরুদ্ধেই এবার আওয়াজ তুললেন অভিনেতা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বাংলার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের মার্কশিটের দিকে যে গোটা দেশ তাকিয়ে, তা বলাই বাহুল্য। বিজেপিকে রুখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে সুর চড়িয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তেজস্বী যাদব, অখিলেশ যাদব থেকে তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ময়দানে সদ্য ‘ডেবিউ করা’ থলপতি বিজয়ও। ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ঋদ্ধিও বাংলার জনগণকে সচেতনভাবে ভোট দেওয়ার আর্জি জানালেন।

একুশ সালের বিধ্বংসী হারের পর থেকেই বিজেপির পাখির চোখ ছিল ছাব্বিশের ভোটের দিকে। সেই প্রেক্ষিতেই চলতিবারে বাংলায় পদ্ম ফোটাতে মরিয়া গেরুয়া শিবির একেবারে গোড়া থেকেই কোমর বেঁধে পিচে নেমে পড়েছিল। বাঙালি অস্মিতায় শান দিতে ‘মাছ টু ম্যাটিনি’ কোনও কসরতই বাদ রাখেননি তাঁরা। মণীষীদের নাম-বাণীর ‘হোমওয়ার্কে’ যতই ভুলচুক থাকুক না কেন, বাংলার সংস্কৃতি আত্মস্থ করতে কখনও ভোটপ্রচারে এসে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বরা মাছের কাঁটা বেছে খেয়েছেন তো কখনও বা আবার উত্তম কুমার থেকে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের শরণেও যেতে হয়েছে তাঁদের। প্রচারের মাঠে দীর্ঘ দু’মাসের কসরতের পর এবার ব্যালটে ভাগ্যপরীক্ষার পালা। ফলত, বাংলার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের মার্কশিটের দিকে যে গোটা দেশ তাকিয়ে, তা বলাই বাহুল্য। বিজেপিকে রুখতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে সুর চড়িয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, তেজস্বী যাদব, অখিলেশ যাদব থেকে তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ময়দানে সদ্য ‘ডেবিউ করা’ থলপতি বিজয়ও। ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ঋদ্ধিও বাংলার জনগণকে সচেতনভাবে ভোট দেওয়ার আর্জি জানালেন।

এদিকে বুধবার সকাল থেকেই আমজনতার পাশাপাশি তারকারাও গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল। এদিন সাতসকালে আরবানার বুথে ভোট দিয়েছেন রাজ-শুভশ্রী। গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন অভিনেতা আবির চট্টোপাধ্যায়ও। তবে ইভিএম বিভ্রাটের শিকার হওয়ায় তারকাদের কেউ কেউ আবার ভোট দিতে গিয়েও বুথ থেকে ফিরে এসেছেন। সেই তালিকায় চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর পাশাপাশি একাবলী খান্নাও রয়েছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.