Advertisement
Advertisement
বঙ্গে পালাবদল
Ram Gopal Varma

‘গণতন্ত্রে আঘাত’, মমতার ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্ফোরক রামগোপাল ভার্মা

আগামী ৯ মে বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণ। বাকি মাত্র ৭২ ঘণ্টা। এখনও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা দেননি। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে সাফ জানিয়েছেন, তিনি কোনওমতেই ইস্তফা দেবেন না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২০:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৬, ২০২৬, ২০:৩৪

options
link
‘গণতন্ত্রে আঘাত’, মমতার ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিস্ফোরক রামগোপাল ভার্মা zoom
ইস্তফা না দেওয়ার সিদ্ধান্তে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ রামগোপাল ভার্মার। ছবি: সংগৃহীত

আগামী ৯ মে বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণ। বাকি মাত্র ৭২ ঘণ্টা। এখনও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্তফা দেননি। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে সাফ জানিয়েছেন, তিনি কোনওমতেই ইস্তফা দেবেন না। তার ফলে সাংবিধানিক সংকট তৈরি হতে পারে। এই ইস্যুতে মুখ খুললেন পরিচালক রামগোপাল ভার্মা।

এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “রাজনীতিতে বহু যুগ কাটানো এবং ১৫ বছরের মুখ্যমন্ত্রিত্বের পর আমি বিশ্বাস করতে পারছি না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণতন্ত্রকে অবহেলা করছেন। গণতন্ত্রের মজ্জাগত স্বভাবই হল প্রতিষ্ঠানগুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা, আর সেগুলির উপর আক্রমণ করা। অর্থাৎ গণতন্ত্রের উপরই আক্রমণ করা।”

Advertisement

নির্বাচন কমিশন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের যে ফলাফল ঘোষণা করেছে তাতে স্পষ্টত তৃণমূল কংগ্রেস পরাস্ত হয়েছে। রাজ্যে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতা দখল করছে বিজেপি। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোদ পরাজিত হয়েছেন। কিন্তু তৃণমূল সুপ্রিমো সেই পরাজয় মানতে নারাজ। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিতেও নারাজ তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ বলেছেন, “আমরা তো হারিনি। তাহলে আমি কেন ইস্তফা দেব।” রাজ্য বিধানসভার মেয়াদ ৭ মে পর্যন্ত। তাই নিয়ম অনুযায়ী, ৭ মের পর মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার কথা নয় মমতার। এখন যদি তিনি ইস্তফা দিতে না চান, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক পদক্ষেপ করতে পারেন রাজ্যপাল।

এমনিতেই মুখ্যমন্ত্রী পদে নিয়োগ বা বরখাস্ত করার অধিকার রাজ্যপালের হাতে। ফলে রাজ্যপাল যদি চান, মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। তাতেও তৃণমূল নেত্রী ইস্তফা দিতে না চাইলে রাজ্যপাল তাঁকে বরখাস্ত করতে পারেন। স্রেফ রাজভবন থেকে একটি অধ্যাদেশ জারি করেই সরকারকে বরখাস্ত করে দিতে পারেন তিনি। অবশ্য রাজ্যপাল চাইলে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে বরখাস্ত না করে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশন ডেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে না পারলে মুখ্যমন্ত্রীকে পদ ছাড়তেই হয়। এর বাইরেও আরও কড়া পদক্ষেপের সংস্থান রাজ্যপালের হাতে রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী হারের পর ইস্তফা দিতে না চাইলে সেটা সাংবিধানিক সংকটের শামিল। সংবিধানের ৩৫৬ যারা অনুযায়ী এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারির সুপারিশ করতে পারে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের সরকারের সব ক্ষমতা এমনিই চলে যাবে কেন্দ্রের হাতে। তাহলে মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতাচ্যুত হবেন সঙ্গে সঙ্গেই। বস্তুত, বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, সাংবিধানিক প্রক্রিয়া। তাই মুখ্যমন্ত্রী ইস্তফা দিতে অস্বীকার করলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পথে হাঁটতে পারেন রাজ্যপাল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.