Advertisement
Advertisement
বঙ্গে পালাবদল
Rachna Banerjee

রচনার মুখে রামনাম! তৃণমূলের ভরাডুবির মাঝেই বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তুললেন সেলফি

রচনা এখন আর তিনি শুধু সেলিব্রিটি নন। রূপোলি পর্দার প্রিয় নায়িকা কিংবা ছোটপর্দার ‘দিদি নং ১’ পরিচয়েই আটকে নেই। এখন তিনি জনপ্রতিনিধি। হুগলিবাসীর সুবিধা-অসুবিধার কথা তুলে ধরেন সংসদে।

Advertisement
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২৬, ১৮:৫২

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: মে ৪, ২০২৬, ১৮:৫২

options
link
রচনার মুখে রামনাম! তৃণমূলের ভরাডুবির মাঝেই বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে তুললেন সেলফি zoom
বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে সেলফি রচনার। নিজস্ব চিত্র

বাংলা জুড়ে গেরুয়া ঝড়। তাতে প্রায় ম্লান ঘাসফুল শিবির। ছাব্বিশের হাইভোল্টেজ বিধানসভা ভোটের (WB Election Results 2026) ফলাফল দেখে কপালের ভাঁজ ক্রমশ চওড়া হচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্বের। তারই মাঝে দিব্যি খোশমেজাজে হুগলির তারকা সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় (Rachna Banerjee)। ভোটগণনার খোঁজখবর রাখার ফাঁকেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে সেলফি তুললেন তিনি। মুখে শোনা গেল রামনামও।

‘জয় শ্রীরাম’ প্রসঙ্গে রচনা বলেন, “রাম তো আমাদের ভগবান। পুজো করি। আমরা জয় বাংলা বলি। আমাদের ১৪ কোটি দেবতা।”

সোমবার সকাল থেকে চুঁচুড়ার নানা প্রান্তে ঘুরতে দেখা যায় রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বিকেলের দিকে চুঁচুড়ার পিপুল পাতির মোড়ে পৌঁছন তিনি। সেখানে আগেভাগেই উপস্থিত ছিলেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তাঁরা জয়ের উল্লাসে নিজেদের মধ্যে গেরুয়া আবির মেখে অকালহোলি খেলছিলেন। রচনার সঙ্গে বিজেপি কর্মীরা সৌজন্য বিনিময় করেন। সেলফি তোলার আবদারে না করেননি। গেরুয়া শিবিরের কর্মীদের সঙ্গে সেলফি তোলেন তৃণমূল সাংসদ। রচনা বলেন, “আমি সাংসদ। সকলের সঙ্গে কথা বলতেই পারি। সবাই মানুষ। তাই ছবি তোলায় আপত্তি নেই।” আর ‘জয় শ্রীরাম’ প্রসঙ্গে বলেন, “রাম তো আমাদের ভগবান। পুজো করি। আমরা জয় বাংলা বলি। আমাদের ১৪ কোটি দেবতা।”

Advertisement

তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে প্রথম রাজনীতিতে নাম লিখিয়েছিলেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের জনপ্রিয়তা আর মিষ্টি ব্যবহারে নিবিড় জনসংযোগের মধ্যে দিয়ে ভোটযুদ্ধে জয়ী হন। রচনাও বুঝিয়ে দেন, তিনি ভরসাযোগ্য। তাই এখন আর তিনি শুধু সেলিব্রিটি নন। রূপোলি পর্দার প্রিয় নায়িকা কিংবা ছোটপর্দার ‘দিদি নং ১’ পরিচয়েই আটকে নেই। এখন তিনি জনপ্রতিনিধি। হুগলিবাসীর সুবিধা-অসুবিধার কথা তুলে ধরেন সংসদে। সে কারণেই এলাকার মানুষদের আবদারে তাঁদের সঙ্গে ছবি তোলেন বলেই দাবি রচনা। যদিও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের একাংশ এই বিষয়টিকে মোটেও ভালো চোখে দেখছে না। ভরাডুবির মাঝে এমন সেলফি তোলা রচনার ঠিক হয়নি বলেই মত তাঁদের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.