Advertisement
Advertisement
Pratik Ur Rahaman

‘২১-এর রাজনৈতিক ‘শত্রু’, ছাব্বিশে বন্ধু! ‘প্রতীক’ বদলে তৃণমূলের উন্নয়নে গলা ফাটাচ্ছেন রহমান

প্রতীক আরও বলেন, "এসব এলাকায় আমার চেনাজানা ও পরিচিত বহু মানুষ রয়েছেন। সিপিএমের কর্মী-সমর্থকরাও আছেন। তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচারে এসে তাঁদের মুখেই শুনছি, আমার সিদ্ধান্তই সঠিক। সিপিএম ছেড়ে আরও আগে তৃণমূলে এলে ভালো হত বলেই বলছেন তাঁরা। তাঁদের অনেকেই তৃণমূলে যোগ দেবেন বলেও জানিয়েছেন।"

Advertisement
সুরজিৎ দেব
সুরজিৎ দেব

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ১৪:৪০

link
সুরজিৎ দেব
সুরজিৎ দেব

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৫, ২০২৬, ১৪:৪০

options
link
‘২১-এর রাজনৈতিক ‘শত্রু’, ছাব্বিশে বন্ধু! ‘প্রতীক’ বদলে তৃণমূলের উন্নয়নে গলা ফাটাচ্ছেন রহমান zoom
তৃণমূল প্রার্থী পান্নালাল হালদারকে সঙ্গে নিয়ে ভোটের প্রচারে প্রতীক উর রহমান।

অকারণ কুৎসা নয়, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রচার করতে পেরে ভালোই লাগছে। শনিবার ডায়মন্ডহারবারে তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচারে নেমে এমনটাই জানালেন তৃণমূলের তারকা প্রচারকের তালিকায় থাকা প্রতীক উর রহমান। দল তাঁকে তারকা প্রচারক করায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তিনি।

শনিবারই ডায়মন্ডহারবার বিধানসভার পাতড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূল প্রার্থী পান্নালাল হালদারকে সঙ্গে নিয়ে ভোটের প্রচার করলেন তৃণমূলের তারকা প্রচারক প্রতীক উর রহমান। পাতড়া পঞ্চায়েতের নতুনহাট, পাতড়া, দাঁড়, বাগদা, আগ্নেশ্বর, মুড়িগাছি, দুর্গাপুর-সহ বিভিন্ন গ্রামে তৃণমূল কর্মী ও নেতৃত্বকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে দিনভর প্রচার করেন একদা সিপিএম নেতা ও বর্তমানের তৃণমূল নেতা প্রতীক-উর। উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রতীকের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী পান্নালাল হালদারই। গত ভোটে যিনি ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী, তাঁর হয়েই এবার মানুষের কাছে ভোট চাইছেন প্রতীক উর।

Advertisement

কেমন মনে হচ্ছে, মানুষই বা কীভাবে বিষয়টিতে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন প্রশ্নে প্রতীকের সোজাসাপটা জবাব, “একুশের ভোটে সিপিএমের প্রার্থী হয়ে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের বিষয়ে তো কিছু বলতে পারিনি, কারণ মানুষ দেখছেন উন্নয়ন হয়েছে। আমি মিথ্যে বলি কী করে। আর বললেও মানুষ তা মানবেন কেন। অনুন্নয়নের কথা বলতে না পারায় তাই দলের নির্দেশে কেবলই ব্যক্তিগত কুৎসা করতে হত। এখন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও উন্নয়নমুখী প্রকল্পের কথা বুক বাজিয়ে মানুষকে এখন বলতে পারছি। প্রচারের কাজটা এখন অনেকটাই সহজ হয়েছে। ভালোই লাগছে, আমি খুশি।”

প্রতীকের সোজাসাপটা জবাব, “একুশের ভোটে সিপিএমের প্রার্থী হয়ে তৃণমূল সরকারের উন্নয়নের বিষয়ে তো কিছু বলতে পারিনি, কারণ মানুষ দেখছেন উন্নয়ন হয়েছে। আমি মিথ্যে বলি কী করে। আর বললেও মানুষ তা মানবেন কেন। অনুন্নয়নের কথা বলতে না পারায় তাই দলের নির্দেশে কেবলই ব্যক্তিগত কুৎসা করতে হত। এখন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন ও উন্নয়নমুখী প্রকল্পের কথা বুক বাজিয়ে মানুষকে এখন বলতে পারছি। প্রচারের কাজটা এখন অনেকটাই সহজ হয়েছে। ভালোই লাগছে, আমি খুশি।”

প্রতীক আরও বলেন, “এসব এলাকায় আমার চেনাজানা ও পরিচিত বহু মানুষ রয়েছেন। সিপিএমের কর্মী-সমর্থকরাও আছেন। তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচারে এসে তাঁদের মুখেই শুনছি, আমার সিদ্ধান্তই সঠিক। সিপিএম ছেড়ে আরও আগে তৃণমূলে এলে ভালো হত বলেই বলছেন তাঁরা। তাঁদের অনেকেই তৃণমূলে যোগ দেবেন বলেও জানিয়েছেন।”

তৃণমূল প্রার্থীর প্রচারে প্রতীক উর রহমান।

বলে রাখা প্রয়োজন, রাজ্যে প্রথম দফার ভোট হতে কয়েকসপ্তাহ বাকি। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল ও দক্ষিণবঙ্গের মোট ১৫২ আসনে ভোট। ইতিমধ্যে প্রচারে ঝড় তুলেছে সব দল। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জেলায় জেলায় প্রচার সারছেন। শুধু তাঁরাই নন, দলের অন্যদেরও দায়িত্ব দিয়েছে দল। প্রকাশ হয়েছে ৪০ জন তারকা সদস্যের একটি তালিকা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি তারকা প্রচারকের সেই তালিকাতেই রয়েছেম ‘কমরেড’ প্রতীক উর রহমান।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.