এসআইআরে নাম বাদের প্রতিবাদে এই কাজে যুক্ত জুডিশিয়াল অফিসারদের রাতভর আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন বিক্ষুব্ধ জনতা। গত ১ তারিখ মালদহের মোথাবাড়ির এই ঘটনা রাজ্যে ভোটের আগে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল। প্রশ্ন উঠেছিল, প্রশাসনিক কাজ করতে যাওয়া বিচারকদের সঙ্গেই যদি এমনটা ঘটে, তাহলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? বিষয়টি নিয়ে দিল্লিও বেশ কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়। রবিবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে নির্বাচনী প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে এ প্রসঙ্গে তৃণমূলের তীব্র সমালোচনা শোনা গেল। বললেন, ”মালদহে যা হল, নির্মম সরকারের মহাজঙ্গলরাজের নিদর্শন। গোটা দেশ দেখেছে কীভাবে বিচারকদের হেনস্তার মুখে পড়তে হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির শবযাত্রা বেরিয়েছে এই তৃণমূলের আমলে।” প্রশ্ন তুললেন, সরকার যদি বিচারকদের নিরাপত্তা দিতে না পারে তাহলে আমজনতার কী হবে?
তাঁর কথায়, “গোটা দেশ দেখেছে, কীভাবে বিচারকদের আটকে রাখা হয়েছিল। তৃণমূলের শাসনে বিচারকরাও রেহাই পান না। কালিয়াচকের ঘটনা তৃণমূলের নির্মম সরকারের মহাজঙ্গলরাজের উদাহরণ। সরকার বিচারকদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হবে।”
আরও পড়ুন:
ঘটনা গত বুধবার, ১ এপ্রিলের। ভোটার তালিকায় নাম না ওঠায় জনরোষ আছড়ে পড়েছিল এসআইআরের কাজে যাওয়া বিচারকদের উপর। রাতদুপুরে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে মালদহের কালিয়াচক ২ ব্লকের মোথাবাড়ি। অভিযোগ, বিক্ষোভকারী জনতা দীর্ঘক্ষণ ধরে কালিয়াচক ২ বিডিও অফিসে আটকে রাখেন সাতজন জুডিশিয়াল অফিসারকে। তাঁদের ঘিরে চলে বিক্ষোভ। ১২ নং জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বসেন বিক্ষোভকারীরা। ঘণ্টার পর ঘণ্টা থমকে যানচলাচল। এত উত্তপ্ত পরিস্থিতিতেও কেন্দ্রীয় বাহিনীর দেখা মেলেনি বলে অভিযোগ। তাতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় প্রশ্ন ওঠে। পরে অবশ্য পুলিশের হস্তক্ষেপে বন্দিদের উদ্ধার করা হয়। এর জেরে সু্প্রিম কোর্টে কড়া ধমক খেতে হয় কমিশনকে। রবিবার কোচবিহারের ভোটপ্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদি অবশ্য তির ঘুরিয়ে দিলেন তৃণমূল সরকারের দিকে।
তাঁর কথায়, “গোটা দেশ দেখেছে, কীভাবে বিচারকদের আটকে রাখা হয়েছিল। তৃণমূলের শাসনে বিচারকরাও রেহাই পান না। কালিয়াচকের ঘটনা তৃণমূলের নির্মম সরকারের মহাজঙ্গলরাজের উদাহরণ। সরকার বিচারকদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, তাহলে সাধারণ মানুষের কী অবস্থা হবে।” আরও অভিযোগ, “তৃণমূলের নির্মমতা এতটাই যে সংবিধানের গলা টিপে মেরে ফেলতে চাইছে। ওদের হাতে আইনশৃঙ্খলার শবদেহ বেরিয়েছে।” কিন্তু মোদির অভিযোগ কতটা সত্যি, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। কারণ, এই মুহূর্তে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নির্বাচন কমিশনের হাতে। তাই কোথাও কোনও ঝামেলা হলে তার দায় তো কমিশনেরই।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অবশেষে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইর সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প! কথা হবে চুক্তি নিয়ে, এবার যুদ্ধ থামবে?
-
ভারতকে চাপ দিলে বিশ্বজুড়ে অশান্তি! মার্কিন শুল্কবাণের মধ্যেই মোদির ‘ঢাল’ পুতিন
-
আচমকা ‘প্রসন্ন’ শরিকরা, বাড়তি দুই রাজ্যসভা আসন প্রাপ্তি কংগ্রেসের! প্রার্থী ঘোষণা করল বিজেপিও
-
লোকসভাতেও ‘আসল তৃণমূল’, দলনেতা হচ্ছেন কাকলি! জল্পনার মাঝে বিস্ফোরক পোস্ট সাংসদের
-
‘সিএবি কর্তা হয়েও সংস্থার গঠনতন্ত্র জানেন না’, কোষাধ্যক্ষকে পাল্টা প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়ার
নিবেদিত


