রবিবাসরীয় নির্বাচনী জনসভায় ওন্দা থেকে দলীয় সংগঠনকে চাঙ্গা করতে বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ২০২১ সালের কথা মনে করিয়ে বাড়তি সতর্কতা নিয়ে তৃণমূলস্তরে নেমে ভোট লড়াইয়ে টনিক দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। রবিবার ওন্দার স্টেডিয়ামে প্রচারে গিয়ে তৃণমূল সুপ্রিমো স্মরণ করিয়ে দেন, “আগেরবার আমরা জিতিনি। তাই এবার একটুও ঢিলেমি চলবে না।”
এই বিষয়ে আরও খবর
মঞ্চে উঠেই গতবারের নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওন্দা ও ছাতনা এলাকায় আগের বার কাঙ্ক্ষিত ফল না পাওয়ার কারণ খুঁজে বের করতেই হবে।” তাঁর কথায়, “ভুল কোথায় হয়েছে, সেটা বুঝে এবার ঘুরে দাঁড়াতে হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষের সঙ্গে কথা বলতে হবে।” বুথভিত্তিক সংগঠন চাঙ্গা করার উপরেও বাড়তি জোর দেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার ১২ টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৮ টিতেই পদ্মফুল ফুটিয়েছিল বিজেপি। যার মধ্যে বাঁকুড়ার ওন্দা ও ছাতনা এই দুটি আসনও ছিল। আজ ওন্দায় দাঁড়িয়ে মূলত গতবারের হারানো জমিকে পুনরুদ্ধারের জন্যই বাড়তি সতর্কতা দিলেন তৃণমূল নেত্রী।
প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ার ১২ টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৮ টিতেই পদ্মফুল ফুটিয়েছিল বিজেপি। যার মধ্যে বাঁকুড়ার ওন্দা ও ছাতনা এই দুটি আসনও ছিল। গতবার ওন্দা বিধানসভায় তৃণমূলকে পিছনে ফেলে ১১ হাজার ৫৫১ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির অমরনাথ সখা। ছাতনায় ৭ হাজার ১৬৪ ভোটে জয়লাভ করেছিলেন পদ্মশিবিরের সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়। আজ ওন্দায় দাঁড়িয়ে মূলত গতবারের হারানো জমিকে পুনরুদ্ধারের জন্যই বাড়তি সতর্কতা দিলেন তৃণমূল নেত্রী।
ওন্দার সভা থেকে উন্নয়নের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। রাস্তা, পানীয় জল ও স্বাস্থ্য পরিষেবা-সহ একাধিক প্রকল্পের উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, “কাজের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই কর্মীদের প্রধান দায়িত্ব।” বিরোধী শিবিরকে কটাক্ষ করে মমতার মন্তব্য, “শুধুমাত্র প্রতিশ্রুতি দিলেই হয় না। মানুষের পাশে থেকে কাজ করলেই আস্থা তৈরি হয়।”
সভা ঘিরে রাজনৈতিক তাপমাত্রা যে বাড়ছে, তার ইঙ্গিত মিলেছে মাঠের ভিড়েও। ওন্দা ও ছাতনা, এই দুই এলাকাতেই এবার ভোটের অঙ্ক বেশ জটিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। আগের ব্যর্থতার প্রসঙ্গ টেনে কর্মীদের সতর্ক করার পাশাপাশি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার অভিযোগ তুলে প্রশাসনিক তৎপরতার বার্তাও দিতে চাইলেন রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশের কথায়, ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে বাড়ি বাড়ি প্রচারের গতি। বাদ পড়া ভোটারদের নাম পুনরায় তালিকাভুক্ত করা ও বুথভিত্তিক সংগঠন মজবুত করাকেই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন দলীয় নেতৃত্ব।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
দলে ভাঙনের মধ্যেই সোনিয়া সাক্ষাতে মমতা, কী কথা হল?
-
রাজ্য মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন মুখ্যমন্ত্রীর, কে কোন বিভাগের মন্ত্রী হচ্ছেন?
-
অন্ধকারে আলোর রেখা! প্রীতি ম্যাচ ৩৬ ধাপ উপরে থাকা তাজিকিস্তানের বিরুদ্ধে ড্র ভারতের
-
সুজিত বসুর পর উজ্জ্বল বিশ্বাস, গ্রেপ্তার আরও এক প্রাক্তন মন্ত্রী, এবার ত্রাণচুরির অভিযোগ
-
রাজস্থানে বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ! ঝলসে মৃত অন্তত ৭
নিবেদিত






