হলদিয়ার নির্বাচনী সভা থেকে ফের নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে তুলোধোনা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, “হলদিয়া থেকে টাকা কোথায় যায় সব আমি জানি।” এখানেই থামেননি তিনি। গোটা অধিকারী পরিবারকেই নিশানা করেন তিনি। বলেন, “আমি অনেক দিয়েছি এই পরিবারকে। আর পারব না দিতে।” শুভেন্দুর পাশাপাশি বিজেপিকে গদ্দার, স্বৈরাচারী, অত্যাচারী বলে ক্ষোভ উগরে দিলেন তিনি।
এই বিষয়ে আরও খবর
প্রতিদিন একের পর এক জনসভা। ছাব্বিশের নির্বাচনকে (Bengal Election 2026) পাখির চোখ করে রাজ্যজুড়ে ঝোড়ো প্রচার করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার দুপুরে হলদিয়ায় তৃণমূল প্রার্থী তাপসী মণ্ডলের হয়ে জনসভা করেন তিনি। সেখান থেকে নাম না করে অধিকারী পরিবারকে তুলোধোনা করেন মমতা। তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে মমতা বলেন, “আমি গোটা রাজ্যে নজর রাখি। স্বাভাবিকভাবেই হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে কী হয় তাও জানি। একটা পরিবার কারখানা থেকে টাকা তোলে, প্রতিটা ট্রাক থেকে টাকা তোলে, কেন তুলবে? গরিব মানুষের উপর কেন অত্যাচার করা হবে? এগুলো বরদাস্ত করা হবে না।”
একুশের নির্বাচন ও নন্দীগ্রামে লোডশেডিং নিয়ে মুখ খুললেন মমতা। বলেন, “এমনি জিততে পারবে না। নন্দীগ্রামের মানুষ তোমাদের আগের বার ভোট দেয়নি। এখনও কোর্টে মামলা বিচারাধীন আছে। মনে রেখো, অনেক ভাঙা মেশিন আছে। আমি মুখে ঝামা ঘষে দিতে পারতাম। কিন্তু ভবানীপুর থেকে ভয়ী হওয়ার জন্য আমি আর প্রেশার দিইনি।” এবারও লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করে মমতা বলেন, “এবারও লোডশেডিং করে দেবে, ছাপ্পা ভোট করে দেবে। নন্দীগ্রামেই ৪০ জনকে নোটিস পাঠিয়েছে এনআইএ। কেন বাবা? এই ছ’বছর কি তুমি কুম্ভকর্ণের মতো ঘুমোচ্ছিলে! আজ বলছ, এক হাজার তৃণমূল কর্মীকে গ্রেপ্তার করতে হবে। আগে বিজেপি-কে গ্রেপ্তার করুন। যারা খুন করেছে, ডাকাতি করেছে, নিজের সিকিউরিটিকে হত্যা করেছে।”
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
চাপের মুখে ভারতের সাহায্য নিতে রাজি নেপাল, আটকে পড়া ভারতীয়দের হাল-হকিকত জানাল দিল্লি
-
‘মমতার অধঃপতন হয়েছে’, দল ছেড়ে প্রথম কর্মসূচিতেই তৃণমূলনেত্রীকে নিশানা কাকলির
-
‘ককরোচ’-সহ পড়ুয়াদের আন্দোলনই ‘টার্নিং পয়েন্ট’, সিপিএমের প্লেনামে নতুন পথের হদিশ
-
চালকের অশ্লীল স্পর্শ! চলন্ত অটো থেকে লাফিয়ে সম্ভ্রম বাঁচালেন তরুণী
-
‘কেন এরকম করল?’ বিশ্বকাপ জিতিয়েও বাদ, বোর্ডের সিদ্ধান্তে অবসরের কথাও ভাবেন হতাশ সূর্য
নিবেদিত






