Advertisement
Advertisement
বঙ্গে পালাবদল
Narendra Modi

‘দল অন্তপ্রাণ’, মোদির মঞ্চে ‘প্রচার বিমুখ’ মাখললালকে দেখে আবেগে ভাসলেন সহধর্মিণী

মোদি লেখেন, 'শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মাখনলাল সরকারের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ হল। উনি নিবেদিত জাতীয়তাবাদী মানুষ। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করেছিলেন এবং জম্মু ও কাশ্মীরে গ্রেফতার হয়েছিলেন। উনি আমাদের দলের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে আমাদের সংগঠনকে প্রসারিত করেছেন এবং মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছেন।'

Advertisement
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ০০:১৫

link
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ০০:১৫

options
link
‘দল অন্তপ্রাণ’, মোদির মঞ্চে ‘প্রচার বিমুখ’ মাখললালকে দেখে আবেগে ভাসলেন সহধর্মিণী zoom
আবেগে ভাসলেন পুতুল দেবী।

শনিবার ব্রিগেডের ঐতিহাসিক সভায় গায়ে শাল জড়িয়ে বরণ করে নেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন তিনি। এরপরই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হলেন শিলিগুড়ি শহরের সূর্য নগরের বাসিন্দা ৯৭ বছর বয়সী প্রচারবিমুখ বিজেপি কর্মী মাখনলাল সরকার। এতদিন শীর্ণকায় অতিসাধারণ মানুষটিকে প্রত্যেকে দেখেছেন। কিন্তু আক্ষরিক অর্থে আধুনিক শহর শিলিগুড়ি এই প্রথম জানলো মাখনলাল সরকার মোটেও সাধারণ মানুষ নন। তাই তো তার সঙ্গে আলিঙ্গন করে ধন্য হতে দেখা যায় খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে।

কেন এমনটা হবেন না? অটলবিহারি বাজপেয়ী থেকে শুরু করে লালকৃষ্ণ আডবাণী প্রত্যেকে তাঁকে জানতেন। শিলিগুড়িতে এলে দেখাও করতেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অন্যতম সহযোগীর সঙ্গে। বিজেপির পূর্ববর্তী সংগঠন জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ। মাখনলালবাবু জনসঙ্ঘের সময় থেকে তৃণমূল স্তরের লড়াকু সৈনিক। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে অংশ নিয়েছিলেন কাশ্মীরের আন্দোলনে। পঞ্চাশের দশকে দেশাত্মবোধক গান গাওয়ার ‘অপরাধে’ তাঁকে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশ। আদালতে নিয়ে ক্ষমা চাইতে বলা হয়। কিন্তু তিনি রাজি হননি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিন সূর্য নগরের বাড়িতে বসে টিভি স্ক্রিনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান দেখতে বসে স্বামীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঞ্চে পরম শ্রদ্ধায় জড়িয়ে ধরছেন দেখে আনন্দে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি সহধর্মিণী পুতুল দেবী। তিনি স্মৃতির পথে হেঁটে জানান, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারি বাজপেয়ী নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছে মাখনলালবাবুকে ডেকে নেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দলীয় নেতা কর্মীদের থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়েছে তাঁকে। গাটের কড়ি খরচ করে বছরের পর বছর সেই কাজ করেছেন। খড়ির জ্বালানীতে হেসেল সামলেছেন পুতুল দেবী। স্বামীর সম্পর্কে তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, “মানুষ এতোটা সৎ এবং দল অন্ত প্রাণ, প্রচারবিমুখ হতে পারে ওর সঙ্গে সংসার না-করলে বুঝতে পারতাম না।”

স্মৃতির পথে হেঁটে জানান, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারি বাজপেয়ী নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে পৌঁছে মাখনলালবাবুকে ডেকে নেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের দলীয় নেতা কর্মীদের থাকা, খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হয়েছে তাঁকে। গাটের কড়ি খরচ করে বছরের পর বছর সেই কাজ করেছেন। খড়ির জ্বালানীতে হেসেল সামলেছেন পুতুল দেবী। স্বামীর সম্পর্কে তাঁর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, “মানুষ এতোটা সৎ এবং দল অন্ত প্রাণ, প্রচারবিমুখ হতে পারে ওর সঙ্গে সংসার না-করলে বুঝতে পারতাম না।”

শনিবার মাখনলালবাবুকে বরণ করে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন মোদি। তিনি লেখেন, ‘শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে মাখনলাল সরকারের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ হল। উনি নিবেদিত জাতীয়তাবাদী মানুষ। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করেছিলেন এবং জম্মু ও কাশ্মীরে গ্রেফতার হয়েছিলেন। উনি আমাদের দলের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। পশ্চিমবঙ্গে আমাদের সংগঠনকে প্রসারিত করেছেন এবং মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছেন।’ এদিন মাখনলালবাবুকে প্রণাম করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং রাজ্যের নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। মাখনলালের পরিচয় বর্ণনা করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.