Advertisement
Advertisement
WB Assembly Election 2026

আক্রান্ত দলীয় কর্মীকে দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে সিপিএম প্রার্থী! পালটা অভিযোগ তৃণমূলের

আক্রান্ত দলীয় কর্মীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন সিপিএম প্রার্থী। শুনতে হল ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান। শুক্রবার সকালের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের ইসলামপুর থানার লোচনপুর পঞ্চায়েতের নওদাপাড়ায়। তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজন এই বিক্ষোভ করেছেন বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ শাসকদল।

Advertisement
অতুলচন্দ্র নাগ
অতুলচন্দ্র নাগ

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৬, ১৯:৫২

link
অতুলচন্দ্র নাগ
অতুলচন্দ্র নাগ

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২৬, ১৯:৫২

options
link
আক্রান্ত দলীয় কর্মীকে দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে সিপিএম প্রার্থী! পালটা অভিযোগ তৃণমূলের zoom
আক্রান্ত দলীয় কর্মীকে দেখতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে সিপিএম প্রার্থী! নিজস্ব চিত্র

আক্রান্ত দলীয় কর্মীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন সিপিএম প্রার্থী। শুনতে হল ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান। শুক্রবার সকালের দিকে ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের ইসলামপুর থানার লোচনপুর পঞ্চায়েতের নওদাপাড়ায়। তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজন এই বিক্ষোভ করেছেন বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ শাসকদল। 

রানিনগরের সিপিএম প্রার্থী জামাল হোসেন এই বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন। ফল ঘোষণার আগের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সিপিএম কর্মী রুহুল আমীন গতকাল, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। নওদাপাড়ার একটি চায়ের দোকানে তিনি বসেছিলেন। অভিযোগ, সেসময় তৃণমূলের কয়েকজন দুষ্কৃতী এসে তাঁকে হেনস্থা করে। হুমকি দেয় ৪ মে-র পর ‘দেখে নেওয়া’ হবে! রুহুল আমীন নওদাপাড়া বুথে সিপিএম-এর এজেন্ট ছিলেন। ওই বুথে সিপিএম প্রার্থী বেশি ভোট (WB Assembly Election 2026) পেতে পারে আশঙ্কা করেই এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি সিপিএম প্রার্থীর।

Advertisement

ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার নওদাপাড়া গিয়েছিলেন জামাল হোসেন। সেখানে একটি চায়ের দোকানে বসে আক্রান্ত কর্মী ও অন্যান্যদের সঙ্গে দেখা করেন। অভিযোগ, তৃণমূলের লোচনপুর অঞ্চল সভাপতি আমিনুল ইসলামের উপস্থিতিতে কিছু ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। কেন তিনি এলাকায় এসেছেন, সেই প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। ওই ঘটনায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাঁকে লক্ষ্য করে ‘গো-ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। সিপিএম প্রার্থী সেখান থেকে ফিরে আসেন। পরে তিনি সাংবাদিক বৈঠক করেন। তৃণমূলকে তিনি নিশানা করেন।

যদিও ওই অভিযোগ মানতে চায়নি তৃণমূল। রানিনগরের তৃণমূল প্রার্থী আবদুল সৌমিক হোসেন এই ঘটনাকে অরাজনৈতিক বলে দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য “চায়ের দোকানে স্থানীয়দের মধ্যে তর্কাতর্কি থেকে সামান্য বচসা হয়েছিল, যা রাতেই মিটে যায়।” তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার সকালে সিপিএম প্রার্থী এলাকায় গিয়ে অযথা পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছেন। তিনি আরও জানান এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং ভোট-পরবর্তী হিংসা এড়াতেই সকলকে সতর্ক থাকতে হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.