এসআইআরের পর রাজ্যে এখনও বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা কমবেশি ৬০ লক্ষ। তাঁদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখেই রবিবার বিধানসভা ভোটের (Assembly Election) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, এই ভোটারদের কী হবে? তাঁরা কি আদৌ ভোট দিতে পারবেন? নাকি গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসব থেকে দূরেই থাকতে হবে? রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে সেই বিষয়টি কিছুটা স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তবে সবটা খুলে বললেন না।
মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের কথায়, ”সংবিধান মেনে এসআইআর হয়েছে। অবৈধ ভোটাররা যাতে বাদ পড়েন এবং বৈধ ভোটারদের নাম ওঠে, সেই লক্ষে এসআইআর করা হচ্ছে। বিচারাধীন থাকা যোগ্য ভোটারদের নাম উঠবে ভোটার তালিকায়। তার জন্য অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ যাবে।”
আরও পড়ুন:
মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারের কথায়, ”সংবিধান মেনে এসআইআর হয়েছে। অবৈধ ভোটাররা যাতে বাদ পড়েন এবং বৈধ ভোটারদের নাম ওঠে, সেই লক্ষে এসআইআর করা হচ্ছে। বিচারাধীন থাকা যোগ্য ভোটারদের নাম উঠবে ভোটার তালিকায়। তার জন্য অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। অযোগ্য ভোটারদের নাম বাদ যাবে।” তবে কবে এসব নিষ্পত্তির পর অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে, তা স্পষ্ট করেননি জ্ঞানেশ কুমার।
পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ। একইসঙ্গে বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা ৬০ লক্ষ। যদিও এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারপতিরা সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৫ লক্ষ ভোটারের নাম নিষ্পত্তি হয়েছে। কিন্তু তাঁদের মধ্যে কারা বৈধ, কারা অবৈধ – তা অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে জানা যাচ্ছে না।
গত ২৮ অক্টোবর থেকে রাজ্যে এসআইআরের কাজ শুরু হয়েছিল। ধাপে ধাপে সব কাজ শেষের পর ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেই অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে (WB) এই মুহূর্তে ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ। একইসঙ্গে বিচারাধীন ভোটারের সংখ্যা ৬০ লক্ষ। যদিও এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচারপতিরা সুপ্রিম কোর্টে জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৫ লক্ষ ভোটারের নাম নিষ্পত্তি হয়েছে। কিন্তু তাঁদের মধ্যে কারা বৈধ, কারা অবৈধ – তা অতিরিক্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে জানা যাচ্ছে না। ফলে অনিশ্চয়তায় সেই ৬০ লক্ষই। তাঁদের কী হবে? রবিবার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে গিয়ে সিইও জ্ঞানেশ কুমার জানালেন, কারা যোগ্য, কারা অযোগ্য, তা বিচারের জন্য এখন বিচারপতিদের নিয়োগ করা হয়েছে। তাঁরা সেই কাজ করছেন। কোনও যোগ্য ভোটার বাদ যাবেন না। তবে অবৈধদের নাম কাটা যাবে।
এদিন সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে প্রশ্ন করা হয়, কোন পদ্ধতিতে বিচারাধীন ভোটারদের নিষ্পত্তির কাজ সম্পূর্ণ হবে? এই প্রশ্নের সরাসরি জবাব এড়িয়ে জ্ঞানেশ কুমার জানালেন, বিচারপতিরা নিষ্পত্তির পর যাঁদের নাম যোগ্য বলে কমিশনের হাতে রিপোর্ট দেবে, সেইমতো নির্বাচন কমিশন অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশ করবে। এই কাজ কবের মধ্যে শেষ হবে, তা নির্দিষ্ট করে বলতে পারেননি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। সবমিলিয়ে, বাংলার ভোটারদের একাংশকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রেখেই ছাব্বিশের বিধানসভা ভোট হতে চলেছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক
নিবেদিত


