রাত পোহালেই বঙ্গভোটের ফলপ্রকাশ। তৃণমূল সরকারের প্রত্যাবর্তন নাকি পরিবর্তন? রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হওয়া এই প্রশ্নের জবাব মিলবে সোমবারই। পাল্লা ভারী কার? নানা মুনির নানা মত। তবে তার আগেই জাতীয় স্তর থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে আগাম শুভেচ্ছা আসতে শুরু করেছে। এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav) ভবিষ্যদ্বাণী করলেন, ‘দিদি আছেন, দিদিই থাকবেন।’ ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূল ২৩৪ টি আসন পাবে বলেও আত্মবিশ্বাসী অখিলেশ।
এক্স হ্যান্ডল পোস্টে অখিলেশ লিখেছেন, ‘এ থেকেই স্পষ্ট যে নির্বাচন কমিশনকেও ভরসা করতে পারছে না বিজেপি। এও স্পষ্ট, বিজেপি এবারও শোচনীয়ভাবে হারবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া একাধিক আধিকারিকের মুখে যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে তৃণমূল ২৩৪ আসনে জিতবে, সেটাই সঠিক হতে চলেছে। দিদি আছেন, দিদিই থাকবেন।’ এর আগে ভোট চলাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে অখিলেশ পোস্ট করেছিলেন, ‘বিজেপির বিরুদ্ধে একা বাঘিনীর মতো লড়ছেন।’
আরও পড়ুন:
রবিবার এক্স হ্যান্ডল পোস্টে বাংলার ভোটগণনায় ১৬৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগের খবরটি শেয়ার করে অখিলেশ লিখেছেন, ‘এ থেকেই স্পষ্ট যে নির্বাচন কমিশনকেও ভরসা করতে পারছে না বিজেপি। এও স্পষ্ট, বিজেপি এবারও শোচনীয়ভাবে হারবে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া একাধিক আধিকারিকের মুখে যে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে তৃণমূল ২৩৪ আসনে জিতবে, সেটাই সঠিক হতে চলেছে। দিদি আছেন, দিদিই থাকবেন।’ এর আগে ভোট চলাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে অখিলেশ পোস্ট করেছিলেন, ‘বিজেপির বিরুদ্ধে একা বাঘিনীর মতো লড়ছেন।’ এবার ফলাফলের আগেও মমতা ‘দিদি’র পাশে থাকার বার্তা দিয়ে ফের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানালেন।
इसका मतलब ये हुआ कि चुनाव आयोग की व्यवस्था पर भाजपा सरकार का भी भरोसा नहीं है और भाजपा बुरी तरह हार रही है।
इसका मतलब चुनाव में गये विभिन्न अधिकारियों के बीच की सुगबुगाहट का ये आँकलन भी सही है कि तृणमूल कांग्रेस 234 सीट पर जीत रही है।
दीदी हैं, दीदी रहेंगी!@MamataOfficial pic.twitter.com/Ihl1TDqy3j
— Akhilesh Yadav (@yadavakhilesh) May 2, 2026
বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমোর এই সমর্থন নতুন নয়। অখিলেশের বাবা মুলায়ম সিং যাদবের সঙ্গেও একসময় দারুণ সম্পর্ক ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সেসময় মমতা ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। নানা বিষয়ে একে অপরের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করতেন। পরবর্তী সময় মুলায়মের উত্তরসূরী হিসেবে অখিলেশও বিজেপি-বিরোধী রাজনীতি করে উঠে এসেছেন এবং সমমনোভাবাপন্ন রাজনীতিক হিসেবে মমতাকে পাশে পেয়েছেন। গত লোকসভা ভোটের আগে মমতার মস্তিষ্কপ্রসূত ‘ইন্ডিয়া’ জোট তৈরি হওয়ায় উভয়ের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে। উত্তরপ্রদেশে ভোটের সময় তৃণমূল সুপ্রিমো লখনউ গিয়ে অখিলেশের সমর্থনে প্রচার করে এসেছিলেন। অখিলেশও বাংলার নির্বাচনে প্রতি মুহূর্তে তৃণমূল সরকারের পাশে থেকে জনতাকে বার্তা দিয়েছেন। এবার ফলপ্রকাশের আগেও সেই অখিলেশের সেই সমর্থন অটুট রইল।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক
নিবেদিত


