Advertisement
Advertisement
বঙ্গে পালাবদল
Jeet

‘মোদির গ্যারান্টি’তে বিশ্বাসী জিৎ, নতুন সরকারের শপথের পর কী আশা অভিনেতার?

বিগত দেড় দশকে তৃণমূলের শাসনকালে টলিউডে একাধিক ঝড় বয়ে গেলেও ফোরাম কিংবা ফেডারেশনের কোনও মিটিংয়েই দেখা যায়নি জিৎকে। এমনকী ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে বারবার ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর ক্ষমতার আস্ফালনের অভিযোগ উঠলেও সুপারস্টার নির্লিপ্ত থেকেছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ১৯:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০২৬, ১৯:১৯

options
link
‘মোদির গ্যারান্টি’তে বিশ্বাসী জিৎ, নতুন সরকারের শপথের পর কী আশা অভিনেতার? zoom
নতুন সরকারের শপথের পর পোস্টে 'মোদি গ্যারান্টি'র কথা উল্লেখ জিতের। ছবি: ফেসবুক

গত পনেরো বছরে তাঁকে রাজনীতির ময়দানে দেখা যায়নি। তবে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ২০৭টি আসনে বিজেপির জয়ের পর রাজনীতিতে বেশ সক্রিয় জিৎ (Jeet)। শনিবার ব্রিগেডের মেগা শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আর ঠিক তার পরদিনই জিতের সোশাল মিডিয়া পোস্টে ‘মোদি গ্যারান্টি’। নতুন সকালে সোনার বাংলা গড়ার আশায় বুঁদ অভিনেতা।

জিৎ সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, “এই জিৎ, বিজয়, ভারতীয় জনতা পার্টির জন্য এক অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে এসেছে। এটা শুধু একটি রাজনৈতিক জয় নয়, মানুষের প্রতি এক বড় অঙ্গীকার। পশ্চিমবঙ্গ এমন একটি ভূমি যা সম্পদ, প্রতিভা, সংস্কৃতি এবং অসংখ্য মানুষের অবদানে সমৃদ্ধ। এই মাটির মানুষ তাঁদের মেধা, পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশকে বহু কিছু দিয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এই বাংলার গৌরব, অস্মিতা, সংস্কৃতি এবং শিক্ষার ঐতিহ্যকে যেভাবে মানুষের চোখে, দেশের চোখে এবং বিশ্বের চোখের নিচে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে, তা সত্যিই বেদনাদায়ক।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তিনি আরও লেখেন, “আজ আমি আশা করি, ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার বাংলার জন্য এক নতুন সকাল, এক নতুন আলোর দিশা নিয়ে আসবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ‘মোদির গ্যারান্টি’ সেই কথার উপর আজ কোটি কোটি মানুষের আশা ও বিশ্বাস দাঁড়িয়ে আছে।” অভিনেতার আশা, “ভারতের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশ পশ্চিমবঙ্গ, আমাদের প্রিয় বাংলা, আবারও ‘সোনার বাংলা’ হয়ে উঠবে। এবং তার হারিয়ে যাওয়া গৌরব পুনরুদ্ধার করবে।” সবশেষে ‘জয় হিন্দ’ বলেও উল্লেখ করেন জিৎ।

বিগত দেড় দশকে তৃণমূলের শাসনকালে টলিউডে একাধিক ঝড় বয়ে গেলেও ফোরাম কিংবা ফেডারেশনের কোনও মিটিংয়েই দেখা যায়নি জিৎকে। এমনকী ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে বারবার ‘বিশ্বাস ব্রাদার্স’-এর ক্ষমতার আস্ফালনের অভিযোগ উঠলেও সুপারস্টার নির্লিপ্ত থেকেছেন। বরং টলিউডে সাম্যবাদ আনতে শাসকদলের অন্দরে থেকেও বারবার সুর চড়িয়েছিলেন দেব। সেই অভিনেতাকে বঙ্গের গৈরিক সূর্যোদয়ে খুল্লামখুল্লা শামিল হতে দেখে যে কৌতূহল জাগবে, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কি দেবের মতোই রাজনৈতিক ইনিংস শুরু করতে চলেছেন জিৎ? 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.