Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

সিপিএমকে ‘নির্লজ্জ’ তোপ অভয়ার মায়ের, তরুণী ও বাবাকে বেধড়ক মার বিজেপি কর্মীদের! উত্তপ্ত পানিহাটি

সোশাল মিডিয়াতেও নিন্দার ঝড়।

Advertisement
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ১২:৫৯

link
অর্ণব দাস
অর্ণব দাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ১২:৫৯

options
link
সিপিএমকে ‘নির্লজ্জ’ তোপ অভয়ার মায়ের, তরুণী ও বাবাকে বেধড়ক মার বিজেপি কর্মীদের! উত্তপ্ত পানিহাটি zoom
সিপিএমকে 'নির্লজ্জ' তোপ অভয়ার মায়ের, তরুণী ও বাবাকে বেধড়ক মার বিজেপি কর্মীদের! উত্তপ্ত পানিহাটি

মেয়ের প্রসঙ্গ টেনে নারী নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে টানা প্রচার চালাচ্ছেন পানিহাটির বিজেপি প্রার্থী রত্না দেবনাথ। সেই অভয়ার মায়ের প্ররোচনায় মহিলা সিপিএম কর্মী ও তাঁর বাবাকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে সোমবার বিকেলে উত্তপ্ত হয়ে উঠে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি। গোটা ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে স্থানীয় বামনেতৃত্ব। এ প্রসঙ্গে পানিহাটির বাম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্ত বলেন, “বিজেপি যে চরম নারীবিদ্বেষী দল, এটাই তার প্রমাণ।” সোশাল মিডিয়াতেও নিন্দার ঝড়।

ঘটনাকে ঘিরে সিপিএমের আক্রমণ তীব্র। প্রার্থী কলতান দাসগুপ্ত বলেন, “নারী নিরাপত্তার কথা বললেও বাস্তবে বিজেপির চরিত্র এই ঘটনায় স্পষ্ট।”

স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার দুপুরে মহাজাতি সেন্ট্রাল মোড়ে বিজেপির পথসভা চলছিল। মঞ্চে ছিলেন রত্না দেবনাথ। সেই সময় সিপিএম প্রার্থীর সমর্থনে টোটো নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন শ্রীলেখা মুখোপাধ্যায় ও তাঁর বাবা সুরজিৎ মুখোপাধ্যায়। অভিযোগ, বিজেপি কর্মীরা টোটো সরাতে বলেন। মুহূর্তে শুরু হয় বচসা। এদিকে মঞ্চ থেকে সিপিএমকে আপত্তিকর ভাষায় আক্রমণ করতে শুরু করেন বিজেপি প্রার্থী। এরপর টোটোয় লাগানো সিপিএম প্রার্থীর ফ্লেক্স ছেঁড়া ও মাইকের তার কেটে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বাধা দিতে গেলে শ্রীলেখা ও তাঁর বাবাকে মারধর করা হয়, অশ্লীল গালিগালাজ ও খুনের হুমকিও দেওয়া হয় বলে দাবি।

Advertisement

শ্রীলেখা মুখোপাধ্যায় খড়দহ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর বক্তব্য, “প্রচার করতে গিয়ে হামলার মুখে পড়েছি। আমাকে ও আমার বাবাকে মারধর করা হয়েছে, হুমকি দেওয়া হয়েছে।” ঘটনাকে ঘিরে সিপিএমের আক্রমণ তীব্র। প্রার্থী কলতান দাসগুপ্ত বলেন, “নারী নিরাপত্তার কথা বললেও বাস্তবে বিজেপির চরিত্র এই ঘটনায় স্পষ্ট।” পালটা বিজেপি নেতা কৌশিক চট্টোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “পুলিশের অনুমতি নিয়ে সভা হচ্ছিল। আচমকা টোটো এনে দাঁড় করানো হয়। মাইকের শব্দ কমাতে বলায় বচসা হয়। হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.