Advertisement
Advertisement
Amit Shah

ভবানীপুরে দিল্লির নেতারাই ভরসা বিজেপির! শুভেন্দুর মনোনয়নে শাহ, রোড শো মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায়

বুধবার রাতে কলকাতায় পৌঁছেই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক করতে পারেন শাহ। বৃহস্পতিবার শাহী রোড শো-তে যাতে ভিড় জমানো যায়, সেজন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে বিজেপি।

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৬, ২০:২৩

link
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৬, ২০:২৩

options
link
ভবানীপুরে দিল্লির নেতারাই ভরসা বিজেপির! শুভেন্দুর মনোনয়নে শাহ, রোড শো মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ায় zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

ভবানীপুর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক। ২০১১ সালে বিধানসভা পুনর্গঠনের পর থেকে এই কেন্দ্রে কোনওদিন হারেনি তৃণমূল কংগ্রেস। এ হেন কঠিন পিচে চ্যালেঞ্জ নিয়ে বেশ ভালোরকম চাপে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করতে এখন শুভেন্দুর ভরসা কেন্দ্রীয় নেতারা। বিজেপি সূত্রের খবর, মনোনয়নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) রাজ্যে এনে চমক দিতে চায় গেরুয়া শিবির।

বিজেপি সূত্রের খবর, বুধবার রাতেই কলকাতায় পা রাখছেন তিনি। আগামী বৃহস্পতিবার ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন পেশের দিন হাজরা মোড় থেকে যে মেগা রোড-শোর পরিকল্পনা করেছে গেরুয়া শিবির। তাতে উপস্থিত থাকবেন শাহ। রোড শোর আগে হাজরা মোড়ে একটা জনসভাও করতে পারেন শাহ। সেখান থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ রোড-শো করে সার্ভে বিল্ডিংয়ের কাছাকাছি পর্যন্ত যাবেন তিনি। শেষ ২০০ মিটার পথ হেঁটে গিয়ে মনোনয়ন দেবেন শুভেন্দু। অমিত শাহও ওই রাস্তায় পায়ে হাঁটতে পারেন। যদিও বিজেপির তরফে এখনও পুরো পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়নি।

Advertisement

সূত্রের খবর, বুধবার রাতে কলকাতায় পৌঁছেই রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক করতে পারেন শাহ। বৃহস্পতিবার শাহী রোড শো-তে যাতে ভিড় জমানো যায়, সেজন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই দক্ষিণ কলকাতার প্রতিটি মণ্ডলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কর্মীদের ওই রোডশো-তে হাজির করতে। দরকারে গোটা কলকাতা থেকেই লোক নিয়ে যাওয়া হবে বলে খবর।

উল্লেখ্য, ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের বাড়ি। ২০১১ সালে ফের ওই কেন্দ্রটি পুনর্গঠিত হয়। তারপর থেকেই ভবানীপুরে দাপট দেখিয়ে আসেছে তৃণমূল। নির্বাচন উপনির্বাচন, সবেতেই শাসকদলের জয়। এই কেন্দ্রে বিরোধী শিবিরেরও একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী লড়েছেন। কিন্তু কেউই জেতেননি। বাম-কংগ্রেস-বিজেপি সব দলই লড়াই করেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সকলেই ব্যর্থ। কলকাতা পুরসভার ৬৩, ৭৭, ৭৪, ৭১, ৭০, ৭২, ৭৩, ৮২ ওয়ার্ড নিয়ে তৈরি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র। ভবানীপুরের ভোটিং ম্যাপ বলছে, ৪২ শতাংশ বাঙালি হিন্দু, ২৪ শতাংশ মুসলিম ও ৩৪ শতাংশ অবাঙালি হিন্দু। অর্থাত্‍ শুধু হিন্দু ভোট ধরলে, ৭৬ শতাংশ হিন্দু ভোট। মুসলমান ভোটার অনেকটাই কম। শুভেন্দু অধিকারী সেই অঙ্কেই এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন। তাঁর আশা, পুরোপুরি ধর্মীয় বিভাজনের মাধ্যমে এই কেন্দ্রে পদ্ম ফোটাবেন। কিন্তু যে অঙ্কটা বিজেপি বা কমিশন কেউই বুঝে উঠতে পারছে না, সেটা হল ভবানীপুরের মতো কেন্দ্রে ধর্মীয় বিভাজন সেভাবে কাজ করে না। এই কেন্দ্রে বহু ভোটার মধ্যবিত্ত বাঙালি। তারা আর যা-ই হোক বিজেপিকে কোনওকালে সমর্থন করেননি। তাছাড়া ওই কেন্দ্রের হিন্দিভাষী ভোটাররাও বরাবর মমতার সঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর ওই এলাকার ‘ঘরের মেয়ে’। তাছাড়া জিতলে নিশ্চিতভাবে মুখ্যমন্ত্রী হবেন তিনি, সেই ফ্যাক্টরও কাজ করবে মমতার পক্ষে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.